গত বছর ডিসেম্বর মাসের ১৩ তারিখ কলকাতায় এসেছিলেন বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টেনিয়ান ফুটবলার লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। যুবভারতীতে তিনি পা রাখতেই অপ্রীতিকর ঘটনা। প্রশাসনের চরম গাফিলতিতে মেসিকে দেখতে ব্যর্থ হন অনুরাগীরা। সারাক্ষণ তাঁকে ঘিরে ছিলেন ভারত সফরের আয়োজক শতদ্রু দত্ত, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস সহ নিরাপত্তারক্ষীরা। এই নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয় গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে। যুবভারতী জুড়ে চলে তাণ্ডব। এমনকি গ্রেফতার করা হয় শতদ্রু দত্তকে। এবার রেফারি কোঅর্ডিনেটর সুপ্রিয় দাশগুপ্তকে শাস্তি দিল আইএফএ।
রেফারি কোঅর্ডিনেটর সুপ্রিয় দাশগুপ্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে আইএফএ-র অনুমতি ছাড়া মেসি ম্যাচে চার রেফারির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন। এর জন্যই শাস্তির মুখে পড়তে হল প্রাক্তন ফুটবলার তথা রেফারি কোঅর্ডিনেটর সুপ্রিয় দাশগুপ্তকে। তাঁকে ৬ মাসের নির্বাসন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আইএফএ-র বর্ধমান অ্যাকাডেমিতে সপ্তাহে দুই দিন করে ফুটবলারদের অনুশীলন করান সুপ্রিয় দাশগুপ্ত। সেই জন্য নির্বাসনের মুখে পড়তে হবে না তাঁকে। অন্যত্র কোচিংও করাতে পারবেন রেফারি কোঅর্ডিনেটর। এর আগে মেসি ম্যাচে আইএফএ-র অনুমতি ছাড়া খেলাতে গিয়ে নির্বাসনের মুখে পড়তে হয়েছিল ৪ বাঙালি রেফারিকেও।
আইএফএ-র তরফে এক বছরের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে মেসি ম্যাচের প্রধান রেফারি রোহন দাশগুপ্তকে। ৬ মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে তিন সহকারী রেফারি দেবদত্ত মণ্ডল, নীলরতন সরকার এবং দেবব্রত নস্করকে। ৬ মাসের জন্য নির্বাসন করা হয় ম্যাচ কমিশনার অপরূপ চক্রবর্তীকে।




















