কলকাতা: তৃণমূলে যোগ দিয়েই দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন ময়নার দাপুটে বিজেপি নেতা চন্দন মণ্ডল। শুক্রবার তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এবং মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন তিনি। কিন্তু যোগদান পর্বের মঞ্চেই চন্দন মণ্ডল অভিযোগ করেন যে, ময়নায় এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ৫ থেকে ৬ মাসের টাকা বকেয়া রয়েছে। তাঁর এই মন্তব্যে জেলার রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রসঙ্গ
মঞ্চে কুণাল ঘোষের পাশেই বসে চন্দন মণ্ডল বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার খুবই জনপ্রিয় প্রকল্প। এই প্রকল্পের মধ্য দিয়ে মায়েরা একটা মাসিক খরচের টাকা পান। যাদের টাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তারা খুবই কষ্টের মধ্যে ছিল। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলাম, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন মায়েরা দ্রুত টাকা পাবেন। অনেকেই পেয়েছেন, কিন্তু এখনও ৫ থেকে ৬ মাসের টাকা বাকি আছে। আমি আবেদন করছি, এই টাকা যেন তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়।”
দলের নবাগত নেতার এই মন্তব্যে অস্বস্তি বাড়লেও, দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করেন, “কতগুলি ডিপার্টমেন্টাল টেকনিক্যাল কারণে কোনো নির্দিষ্ট এলাকা বা বুথে কোনো স্লটে কোনো কোনো প্রকল্পের টাকা ঢুকতে দেরি হয়েছে। তাছাড়া কোনো সমস্যা নেই।”
প্রকল্পে কোনো ভাগাভাগি নেই Chandan Mandal joins Trinamool
অন্যদিকে, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এর মধ্যে রাজনীতির কোনো বিষয়ই নেই। প্রকল্পে বিজেপি বা তৃণমূলের মধ্যে কোনো ভাগাভাগি নেই, সেটা গোটা বাংলা বলবে।” তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, ওই নির্দিষ্ট এলাকার মহিলারা ঠিক করে ফর্ম ফিলাপ করেছেন কিনা বা দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে গিয়েছেন কিনা। চন্দ্রিমা দাবি করেন, “বাংলার কোনো মেয়ে বলতে পারবে না যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে কোনো অসুবিধা হয়েছে।”



















