ঘাটাল: পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকায় চাঞ্চল্যকর রাজনৈতিক ঘটনা। বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের ঠিক নিচেই স্থানীয় বিধায়ক শীতল কপাটের নামে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পোস্টার পড়ল। পোস্টারে মদের দোকানের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়া এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তোলার গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। পোস্টারের নিচে লেখা রয়েছে ‘আদি লড়াকু বিজেপি কর্মী সমর্থক’।
তৃণমূলের বক্তব্য
বুধবার সকাল থেকে এই পোস্টার ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক গুঞ্জন তুঙ্গে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে। এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই সুযোগে বিধায়ককে তীব্র কটাক্ষ শানিয়েছে। ঘাটাল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি দিলীপ মাজী দাবি করেছেন, বিধায়কের দুর্নীতির কথা এখন প্রকাশ্যে আসছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা অনেকদিন ধরেই শীতল কপাটের প্রসঙ্গে বলে আসছি৷ একজন অপদার্থ বিধায়ক হয়ে গিয়েছে৷ যা ঘাটালের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক৷ এতদিন বাদে বিজেপি কর্মীরা সে কথা বুঝতে পেরেছে৷ বিধায়ক ফাণ্ডের টাকা কী ভাবে খরচ করছে, তা ঘাটালের মানুষদের জানানো উচিত৷ হরিষপুর খেয়া ঘাটের জন্য ১৯ লক্ষ টাকা নিয়েছে৷ এর পর তাদের প্রতারিত করেছে৷’’
‘তৃণমূলের চক্রান্ত’ Ghatal political scandal BJP TMC clash
অন্যদিকে, এই পোস্টার সম্পূর্ণ ‘তৃণমূলের চক্রান্ত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। বিধায়ক বলেন, “যদি দুর্নীতির কোনো প্রমাণ থাকে, তবে অভিযোগকারী ব্যক্তি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে এসে তথ্য প্রমাণ দেখান।” তাঁর কথায়, আদি-নব্য বলে বিজেপি’তে কিছু নেই৷ তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদি ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নব্য৷ ওদের দুটি গোষ্ঠী রয়েছে৷ তৃণমূল ভয় পেয়ে পোস্টার দিচ্ছে৷’’
পোস্টার ঘিরে শাসক ও বিরোধী শিবিরের তরজায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে।




















