
নয়াদিল্লি: সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদের হট্টগোল এবং লোকসভার কার্যক্রম ক্রমাগত ব্যাহত হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস থেকে তৃণমূল কংগ্রেস দূরত্ব বজায় রাখায় নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
“ব্রহ্মাস্ত্র আগে কেন?”
সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০২ জন সাংসদ অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে স্বাক্ষর করলেও তৃণমূলের কেউ তাতে স্বাক্ষর করেননি। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনাস্থা প্রস্তাবই শেষ উপায়। আমাদের মতে, বিরোধীদের প্রথমে স্পিকারের কাছে দাবিগুলি তুলে ধরে একটি যৌথ চিঠি দেওয়া উচিত ছিল। পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিন দিন সময় দেওয়া প্রয়োজন ছিল। পদক্ষেপ না হলে অনাস্থা প্রস্তাব আনলে তৃণমূল তাতে যোগ দিত।”
বিরোধী বৈঠকে যোগ দিয়েও দূরত্ব
সোমবার বিরোধী দলগুলির বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস, বাম দল, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল অংশ নিয়েছিল। অভিযোগ, লোকসভায় বিরোধীদের কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। তবুও তৃণমূলের স্বাক্ষর না করার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ। সূত্রের খবর, সংবিধানের ৯৪ (সি) অনুচ্ছেদের অধীনে মঙ্গলবার লোকসভা সচিবালয়ে প্রস্তাবের নোটিস জমা দেওয়া হতে পারে।
সংসদে অব্যাহত অচলাবস্থা রাহুল গান্ধীকে কথা বলতে না দেওয়া এবং বিরোধী সাংসদদের বরখাস্তের প্রতিবাদে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকেই লোকসভায় হট্টগোল চলছে। মঙ্গলবারও হট্টগোলের জেরে কার্যক্রম দুপুর ১২টা পর্যন্ত মুলতবি করতে হয়।

