
যাজপুর: বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশার যাজপুর জেলার জাখাপুরা রেল স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল চেন্নাই সেন্ট্রাল-নিউ জলপাইগুড়ি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। ট্রেনটির তিনটি কোচ লাইনচ্যুত হয়ে যায়৷ এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে রেল সূত্রের খবর, ট্রেনের গতি অত্যন্ত কম থাকায় বড়সড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং সমস্ত যাত্রী সুরক্ষিত রয়েছেন।
ঠিক কী ঘটেছিল?
ভারতীয় রেলের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, আজ সকাল ৮টা ৫১ মিনিট নাগাদ জাখাপুরা ইয়ার্ড দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রেনের একটি এসি কোচ এবং দুটি জেনারেল কোচ লাইনচ্যুত হয়। আচমকা বিকট শব্দে ট্রেনটি কেঁপে উঠলে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান রেলের ইঞ্জিনিয়ার ও উদ্ধারকারী দল।
হতাহতের খবর নেই chennai njp express derailment
পূর্ব উপকূল রেলওয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা আঘাতের খবর নেই। ট্রেনটি ইয়ার্ডের ভেতরে খুব ধীর গতিতে চলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত কোচগুলি বাদ দিয়ে বাকি যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থায় গন্তব্যে পাঠানোর কাজ চলছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
হেল্পলাইন নম্বর জারি
যাত্রীদের পরিজনদের সুবিধার্থে রেলের তরফে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে।
হেল্পলাইন নম্বর: ৮১১৪৩৮২৩৬৭
ব্যাহত হয়নি ট্রেন চলাচল
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইয়ার্ডের ভেতরে দুর্ঘটনা ঘটায় মূল লাইনে ট্রেন চলাচলে কোনও প্রভাব পড়েনি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় লাইন মেরামতির কাজ চলছে। খুব দ্রুতই ওই সেকশনে পরিষেবা স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে প্রাথমিক তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে রেল।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জানুয়ারি ওড়িশার কোরাপুট জেলাতেও একটি মালগাড়ির দুটি ওয়াগন লাইনচ্যুত হয়েছিল। বারবার ওড়িশায় এই ধরনের লাইনচ্যুতির ঘটনায় রেলের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।













