‘খাসি বলে গোমাংস’ খাওয়ানো আফতাবকে খুন সহকর্মী বীরেন্দ্রর

লখনউ: বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। বিহারের যুবককে উত্তরপ্রদেশে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন। এর পিছনে ছক কষে হিন্দু ব্যক্তিকে গোমাংস (cow meat) খাওয়ানোর সুদীর্ঘ ইতিহাস। যার সূত্রপাত দক্ষিণ ভারতের ...

By Sandipa Sil

Published:

Follow Us
cow-meat-disguise-murder-aftab-alam-virendra

লখনউ: বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। বিহারের যুবককে উত্তরপ্রদেশে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন। এর পিছনে ছক কষে হিন্দু ব্যক্তিকে গোমাংস (cow meat) খাওয়ানোর সুদীর্ঘ ইতিহাস। যার সূত্রপাত দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কর্ণাটকে।

উত্তরপ্রদেশের সোলাপুরের বাসিন্দা বীরেন্দ্র। বন্ধু আফতাব আলমকে খুনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় অপরাধ কবুল করেছে বীরেন্দ্র। খুনের ঘটনায় জড়িত আরও একজনের খোঁজে ময়দানে পুলিশ।

   

ধৃত বীরেন্দ্রর দাবি, আফতাব তার সহকর্মী ছিল। তারা কর্ণাটকে একসঙ্গে কাজ করত। একদিন খাসির মাংসের নাম করে বীরেন্দ্রকে গরুর মাংস খাওয়ায় আফতাব। পরে এ নিয়ে উপহাসও করে। সকলের সামনে নাকি বলে, গরু খাইয়ে বীরেন্দ্রকে ধর্মচ্যুত করেছে আফতাব। এতে চরম অপমানিত বদলার ছক কষতে শুরু করে। কর্ণাটকের কাজ সেরে বাড়ি ফিরে আফতাবকে চরম শিক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বীরেন্দ্র।

এ মাসের শুরুর দিকে আফতাবকে বাড়িতে ডাকে বীরেন্দ্র। সহকর্মীর আমন্ত্রণে বিহার থেকে উত্তরপ্রদেশের সোলাপুরে চলেও যায় আফতাব আলম। চরম পরিণতির কথা সে ভাবতেও পারেনি। পুলিশের দাবি, জেরায় বীরেন্দ্র জানিয়েছে যে এক সঙ্গীর সাহায্যে আফতাবের গলায় দড়ি দিয়ে পেচিয়ে খুন করেছে। তারপর নির্জন জায়গায় দেহ ফেলে আসে। খুনে ব্যবহৃত দড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

খুনের পরের দিন আফতাবের দেহ উদ্ধার হয়। নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। আফতাবের বাড়িতেও খবর যায়। নিহতের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বীরেন্দ্রর নাম জানা যায়। কারণ খুনের পর আফতাবের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নিজের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে বীরেন্দ্র। তাছাড়া সোলাপুরের এক এটিএমের সিসি ক্যামেরায় বীরেন্দ্র এবং আফতাবকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। আফতাবের মৃত্যুর সঙ্গে বীরেন্দ্রর যোগ থাকার বিষয়টি পুলিশের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায়। ততক্ষণে গ্রাম ছেড়ে মামার বাড়িতে গা ঢাকা দিয়েছে বীরেন্দ্র। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sandipa Sil

আইনের ছাত্রী। শিক্ষানবীশ আইনজীবী। সাংবাদিকের সঙ্গে সংসারের সূত্রে সংবাদে আগ্রহ। কলকাতা24x7-এর মাধ্যমে পথ চলার শুরু।

Follow on Google