আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে (T20 World Cup) সামনে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ামকসংস্থার (ICC) নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশের ক্রিকেটে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ দেখা দিলে বিশ্বকাপসহ দ্বিপাক্ষিক টুর্নামেন্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যেতে পারে।
বিশ্বকাপে এই তারকার উপস্থিতি ঘিরে দুশ্চিন্তা বাড়ল ভারত শিবিরে?
বিশ্বকাপ বয়কট বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে দেশের ক্রিকেটে সমস্যা পড়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ইতিহাস সাক্ষী,দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ২২ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ছিল। Apartheid নীতির কারণে দেশের সব অশ্বেতাঙ্গ নাগরিককে সমান অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হতো। জাতীয় দলে শুধুমাত্র সাদা খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া হতো, ফলে বহু প্রতিভাবান খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে উঠার সুযোগ হারিয়েছিল।
এই নিষেধাজ্ঞার সময় কিছু ‘rebel’ ট্যুর অনুষ্ঠিত হলেও তা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চোখে স্বীকৃত ছিল না। ১৯৯০-এর দশকে Apartheid ব্যবস্থা হঠাৎ উঠে যাওয়ার পর, ১৯৯১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পুনরায় Iআইসিসির টুর্নামেন্টে অনুমতি দেওয়া হয়।
বিশ্বকাপে নতুন নাটক! পাক বয়কটে কামব্যাক বাংলাদেশের?
এই ধরনের শাস্তি শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ ছিল না। অতীতে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কা সম্পর্কেও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা নিয়ম ভঙ্গের কারণে নিষেধাজ্ঞার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেট বোর্ডও একই কারণে শাস্তি পেয়েছিল।
বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তানও একই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়তে পারে যদি আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন বা বিশ্বকাপ বয়কটের মতো সিদ্ধান্ত নেয়। ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা কোনো বিতর্কিত পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে এবং খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ারেও প্রভাব ফেলতে পারে।




















