Home Kolkata City বাড়িতে হিয়ারিং নিয়ে কমিশনের নির্দেশিকা প্রকাশ

বাড়িতে হিয়ারিং নিয়ে কমিশনের নির্দেশিকা প্রকাশ

Election Commission Details Who Can Avail Home Hearing Benefit
Election Commission Details Who Can Avail Home Hearing Benefit

SIR নিয়ে উত্তাল রাজ‌্য রাজনীতি। বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের সুবিধার্থে বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিংয়ের দাবি তুলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই দাবির প্রেক্ষিতেই এবার কাদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিং করা হবে, তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কয়েকটি শ্রেণির ভোটারদের আর হিয়ারিংয়ের জন্য নির্বাচনী দফতরে যেতে হবে না। কমিশনের আধিকারিকরাই তাঁদের বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় শুনানি ও যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।

- Advertisement -

নির্বাচন কমিশনের Election Commission পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, সন্তানসম্ভবা মহিলা ভোটার, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং যাঁদের বয়স ৮৫ বছরের বেশি—এই চারটি শ্রেণির নাগরিকের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিং করা হবে। এই সমস্ত ভোটারদের শারীরিক অসুবিধা ও বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে। তবে যাঁদের বয়স ৮৫ বছরের কম এবং যাঁরা উপরের কোনও শ্রেণির মধ্যে পড়েন না, তাঁদের নির্দিষ্ট দিনে নির্বাচনী অফিসে এসে হিয়ারিংয়ে অংশ নিতে হবে। কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে হাসপাতালের ঠিকানায় গিয়েই হিয়ারিং করা হবে। সন্তানসম্ভবা মহিলাদের ক্ষেত্রেও শারীরিক ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে বাড়িতে গিয়েই শুনানি নেওয়া হবে। একই সুবিধা পাবেন বিশেষভাবে সক্ষম ভোটাররাও। তাঁদের শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে অফিসে আসা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সেই কারণেই কমিশনের আধিকারিকরা সরাসরি তাঁদের বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি যাচাই ও বক্তব্য গ্রহণ করবেন।

   

৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। কমিশনের মতে, এই বয়সের ঊর্ধ্বে অনেক ভোটারের চলাফেরায় সমস্যা থাকে, ফলে তাঁদের জন্য বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিং করাই যুক্তিসঙ্গত। তবে ৮৫ বছরের নীচে যাঁদের বয়স, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য হবে না। বয়স পঁচাশির কম হোক বা তার বেশি—যদি কেউ হাসপাতালে ভর্তি না থাকেন, সন্তানসম্ভবা না হন বা বিশেষভাবে সক্ষম না হন, তাহলে তাঁকে নির্ধারিত দিনে নির্বাচনী দফতরে এসে হিয়ারিংয়ে অংশ নিতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক জানান, “ভোটার তালিকা সংশোধন ও শুনানি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে মানবিক দিকটিও বিবেচনা করা জরুরি। তাই যাঁদের পক্ষে অফিসে আসা সত্যিই কঠিন, তাঁদের জন্য বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই প্রক্রিয়ায় BLO, ERO বা AERO-রা উপস্থিত থাকবেন এবং সবকিছুই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হবে।

 

 

Follow on Google