বিস্ফোরণের পর প্রতিবেশী দেশের রাজধানীতে সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা বাড়ল সরকার!

বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সম্প্রতি গির্জা ও স্কুলসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের (Cocktail Explosions) পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ ...

By Subhasish Ghosh

Published:

Follow Us
bangladesh-capital-dhaka-church-security-heightened-after-cocktail-explosions-suspect-arrested

বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সম্প্রতি গির্জা ও স্কুলসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের (Cocktail Explosions) পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তধর্মীয় ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। ধর্মীয় সহাবস্থানে কোনো রকম বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করলে আইনের সর্বোচ্চ বিধান প্রয়োগ করা হবে।

   

প্রেস উইং জানিয়েছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৮ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সন্দেহভাজনকে কাকরাইলের সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল ও সেন্ট যোসেফ স্কুল প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণসহ একাধিক ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ডিএমপি ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) যৌথভাবে শহরজুড়ে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল ও ভোরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরের মাইডাস সেন্টারের সামনে, ধানমণ্ডি-৯ নম্বরের ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনেও ককটেল বিস্ফোরণ হয়। মিরপুরে ভোর পৌনে চারটায় গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া মোহাম্মদপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং লেখক ও চিন্তক ফরহাদ মজহারের প্রতিষ্ঠান ‘প্রবর্তনা’র সীমানার ভিতরে ও বাইরে দুটি বিস্ফোরণ ঘটে।

সোমবারের ঘটনার পর এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ঢাকার সব গির্জা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রেস উইংয়ের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় সহাবস্থান, আন্তঃধর্মীয় ঐক্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

Subhasish Ghosh

[email protected]

Follow on Google