‘রাহুল এখন হার স্বীকারের মহড়ায় ব্যস্ত’, রাহুলকে খোঁচা শমীক ভট্টাচার্যের

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক তরজায় ক্রমশই উত্তাপ বাড়ছে। কংগ্রেস ও মহাগঠবন্ধনের প্রচারে যখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য  (Shamik bhattachariya) কংগ্রেস ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Rahul Preparing to Concede Defeat, Alleges BJP Leader Shamik Bhattacharya

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক তরজায় ক্রমশই উত্তাপ বাড়ছে। কংগ্রেস ও মহাগঠবন্ধনের প্রচারে যখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য  (Shamik bhattachariya) কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন।

বিজেপি নেতার বক্তব্য, “বিহারের ভোটে হারের পরে কী বলতে হবে, তার মহড়া দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী।” তিনি আরও বলেন, “রাহুলের এই বক্তব্য আসলে নিজের দলের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিচ্ছে। উনি মহাগঠবন্ধনের ক্ষতি করছেন।” শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য নিয়ে বিজেপি আগেও কটাক্ষ করেছে, তবে এবার সেই সমালোচনার মাত্রা আরও তীব্র।

   

বিজেপি নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, রাহুল গান্ধীর ভাষণ এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে তিনি পরাজয়ের আশঙ্কা আগেভাগেই বুঝে ফেলেছেন। শমীক বলেন, “উনি ঠিক যেন ক্রিকেটারের মতো নেট প্র্যাকটিস করছেন — ভোটের পর কীভাবে পরাজয় স্বীকার করতে হবে, সেই ভাষণ এখনই প্রস্তুত করছেন।”

এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ হিসেবেই দেখা হয়েছে। কংগ্রেস নেতারা দাবি করেছেন, বিজেপি বুঝে গেছে যে বিহারে তাদের বিরুদ্ধে মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছে, তাই তারা নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে।

অন্যদিকে, বিজেপি শিবিরে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্যকে নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপির এক সিনিয়র নেতা বলেছেন, “রাহুল গান্ধী প্রতিবার নির্বাচনের আগে এমন কিছু মন্তব্য করেন যা তার নিজের দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেই হতাশা তৈরি করে। এই সুযোগটা বিজেপি নেবে বলেই আমাদের সভাপতি এভাবে বলছেন।”

 

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google