‘সব শেষ’! সাংসদ-আবাসনে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তুমুল রাজনৈতিক চাপানউতোর

নয়াদিল্লি: ২০২০ সালে নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) হাতে উদ্বোধন হয়েছিল দিল্লির ব্রহ্মপুত্র আবাসন (Bramhaputra Apartment) । পার্লামেন্ট থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত আবাসনটিতে ছিল একাধিক রাজ্যসভা সাংসদের ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

নয়াদিল্লি: ২০২০ সালে নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) হাতে উদ্বোধন হয়েছিল দিল্লির ব্রহ্মপুত্র আবাসন (Bramhaputra Apartment) । পার্লামেন্ট থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত আবাসনটিতে ছিল একাধিক রাজ্যসভা সাংসদের ফ্ল্যাট। শনিবার সকালে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই আবাসনের একাংশ। এই ঘটনায় এবার শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক।

বিজেপি শাসিত রেখা গুপ্তর সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধে “অপরাধমূলক অবহেলা” এবং বহুতল ভবনে অগ্নি নিরাপত্তা সম্পর্কে “বারবার সতর্কীকরণ উপেক্ষা” করার অভিযোগ এনেছেন কেজরি।

   

আম আদমি পার্টি (AAP)-প্রমুখের পাশাপাশি, প্রশাসনের বিরুদ্ধে গতকালই সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে (Saket Gokhale)। আগুন লাগার প্রায় আধ ঘন্টা পর ঘটনাস্থলে দমকলবাহিনী পৌঁছয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। বারংবার দমকলবাহিনীকে ফোন করা সত্ত্বেও তারা সময়মত না পৌঁছনয় ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেড়ে গিয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।

এক্সে তৃণমূল সাংসদ (TMC MP) লেখেন, “বিজেপির রাজত্বে দিল্লির ভয়াবহ পরিস্থিতির আমরা নিজের চোখে দেখেছি। ৫ মিনিটের দূরত্বে তিনটি দমকল কেন্দ্র রয়েছে। ভবনের কর্মীরা ফোন করলেও কোনওটিই সাড়া দেয়নি। তারপর আমি ব্যক্তিগতভাবে দুপুর ১:২২ মিনিটে দমকল বিভাগে ফোন করি। এবং পঁচিশ মিনিট পরে প্রথম দমকল ইঞ্জিনটি এসে পৌঁছায়।”

গোখলের পোস্টে কেজরিওয়াল লেখেন, “ছয় মাসের মধ্যেই সব শেষ” করে দিয়েছে বিজেপি সরকার। তিনি লেখেন, “দিল্লির মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল এই ভেবে যে, লেফটেন্যান্ট গভর্নর, কেন্দ্র এবং দিল্লি সরকার একই দলের হলে শাসনব্যবস্থার উন্নতি হবে। কিন্তু তারা (বিজেপি) ছয় মাসে দিল্লিকে ধ্বংস করে দিয়েছে।”

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google