বকেয়া না মেটালে পুরসভার অস্তিত্ব বিপন্ন, কড়া হুঁশিয়ারি আদালতের

অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া পেনশন ও গ্র্যাচুইটি মেটাতে ব্যর্থ হওয়ায় কলকাতা হাইকোর্টে বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বুধবার আলাদা আলাদা মামলায় বিচারপতির সাফ মন্তব্য, “হয় ওঁদের বকেয়া মেটান, না–হয় পুরসভাগুলো ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Bengal HC Orders Urgent Restart of 100-Day Employment Program

অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া পেনশন ও গ্র্যাচুইটি মেটাতে ব্যর্থ হওয়ায় কলকাতা হাইকোর্টে বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বুধবার আলাদা আলাদা মামলায় বিচারপতির সাফ মন্তব্য, “হয় ওঁদের বকেয়া মেটান, না–হয় পুরসভাগুলো বন্ধ করে দিন কিংবা প্রাইভেট করে দিন।”

হাইকোর্টের (High Court) এদিনের পর্যবেক্ষণ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ন্যায্য পাওনা দিতে রাজ্যের বহু পুরসভা গাফিলতি করছে। বিচারপতি বলেন, “আপনারা এখন চুক্তির নিয়োগ নাকি অন্য কিছু, তা নিয়ে কেন বিতর্ক করছেন? আপনারা তাঁদের রেগুলারাইজ় করে দিয়েছেন। এখন আর এ সব বলে লাভ নেই। শুকনো মানবিকতা দেখিয়ে লাভ নেই। টাকা মিটিয়ে মানবিক হোন।”

   

হাইকোর্টের এই মন্তব্যে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে আদালত এই সমস্যাকে শুধুমাত্র আইনি বা আর্থিক বিষয় হিসেবে দেখছে না, বরং এটিকে একটি মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছে।

বিচারপতির কথায়, “যদি বকেয়া মেটাতে না–পারেন, তা হলে এত দিন কেন ওঁদের সার্ভিস নিয়েছেন?” আদালতের এই প্রশ্নে স্পষ্ট বার্তা মিলেছে—সরকারি বা পুরসভার কোনও দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না কর্মীদের অবসর নেওয়ার পর। তাঁদের পেনশন ও গ্র্যাচুইটি দেওয়া হল কর্মজীবনের বিনিময়ে পাওনা।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google