সমস্যাটা কোথায়? ‘জল’ মাপতে দ্রুত বৈঠকে মমতা-ফিরহাদ

লোকসভা ভোটের পর আচমকাই আজ শনিবার সরকারি অধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর এই বৈঠক নিয়র বড় তথ্য দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

লোকসভা ভোটের পর আচমকাই আজ শনিবার সরকারি অধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর এই বৈঠক নিয়র বড় তথ্য দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

তিনি বলেন, “আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত পুরসভার মেয়র এবং অন্যান্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক হয়। পুরসভার সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আলোচনার জন্য এই সভার আয়োজন করা হয়। কিছু জায়গায় যেখানে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই, তা সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে।”

   

বিগত কিছু সময় ধরে কলকাতা শহরেও নানান জায়গায় পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছেলে। আর এই নিয়ে সাধারণ মানুষের খুব বেড়েই চলেছে। পানীয় জলের সংকট সহ আরও নানা বিষয়ের সমাধানে দফায় দফায় বৈঠক করছেন ফিরহাদ হাকিম। কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলররা জলের অভাব ও রাস্তায় বেহাল থাকার অভিযোগ জানানোর পর কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, পুরসভা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

শুক্রবার ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুর পুরসভাকে জানান, গ্রীষ্মের দাবদাহে তাঁর ওয়ার্ডের একটা বড় অংশ অপর্যাপ্ত জল সরবরাহে ভুগছে। তিনি বলেন, মন্ডলপাড়া, মহেন্দ্র মণ্ডল রোড, হাসপাতাল রোড ও কালিকাপুরের কয়েকটি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কাউন্সিলর জানান, জলাধার তৈরির জন্য কালিকাপুর মাতঙ্গিনী হাসপাতালের একটি পরিত্যক্ত জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। জমি হস্তান্তরের নথি রাজ্য সরকারকে পাঠানো হলেও আজ পর্যন্ত তা হস্তান্তর করা হয়নি। তিনি মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে অনুরোধ করেন যে এলাকার পানীয় জলের দুর্দশা দূর করতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কলকাতা পুরসভা যেন নো অবজেকশন সার্টিফিকেট পায়।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google