ধনে পাতার অবাক করা ৭টি উপকারিতা

ধনে নামটি গ্রীক শব্দ “কোরিস” থেকে এসেছে । বলা হয়ে থাকে এটি অতি প্রাচীন ঔষধি, যা ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে পরিচিত এবং ইতালিতে এর উৎপত্তি হয় । আমাদের ভারতীয় ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Updated:

Follow Us
coriander-leaf

ধনে নামটি গ্রীক শব্দ “কোরিস” থেকে এসেছে । বলা হয়ে থাকে এটি অতি প্রাচীন ঔষধি, যা ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে পরিচিত এবং ইতালিতে এর উৎপত্তি হয় । আমাদের ভারতীয় রেসিপি ধনিয়া পাতা ছাড়া অসম্পূর্ণ । যদিও আমরা ভারতীয়রা কচি পাতা এবং শুকনো বীজসবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি।

ধনে পাতার গুণাবলী

   

ধনে পাতা ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি -এর একটি চমৎকার উৎস। ১১ টি অপরিহার্য তেল সমৃদ্ধ একটি বিস্ময়কর ঔষধি, যা সম্পৃক্ত চর্বিতে খুব কম, এতে প্রচুর পরিমাণে লিনোলিক অ্যাসিড রয়েছে যা অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে। গবেষণা অনুসারে, ১০০ গ্রাম ধনিয়া পাতায় ৩১ কিলোক্যালরি, ২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৪ গ্রাম প্রোটিন, ০.৭ গ্রাম চর্বি, ১৪৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম,৫.৩ মিলিগ্রাম আয়রন, ৪.৭ গ্রাম ফাইবার, ২৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ৬৩৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন থাকে।

ধনে পাতার উপকারিতা –

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিকরে:
ধননে পাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই এবং ক্যারোটিনয়েড, যা ভালো দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়াএটি কনজাংটিভাইটিস নিরাময় করতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:
ধনে পাতা ভিটামিন সি, ই ও এ থাকায় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে :

ধনে পাতার উজ্জ্বল সবুজ রঙ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির কারণে, যা এনজাইম কার্যকলাপকে উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। সুতরাং, এটি ইনসুলিন নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে যা রক্তে শর্করার মাত্রা কম করে।

কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে :
আজকের জীবনযাত্রায়, প্রতিটি তৃতীয় ব্যক্তি উচ্চ কলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন। ধনে পাতার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে এলডিএল (খারাপ) কোলেস্টেরল কমাতে এবং এইচডিএল (ভাল) কোলেস্টেরল উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।

হাড়েকে মজবুত করে:
ধনে পাতায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস রয়েছে, যা হাড়কে মজবুত করে। শুধু তাই নয় ধনে হাড়কে বাতজনিত ব্যথা থেকেও রক্ষা করে।

ত্বককে স্বাস্থ্য উজ্জ্বল করে:
আয়রন, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন এ এর পাওয়ার হাউস হওয়ায় এটি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এমন ফ্রি রেডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। অতিরিক্ত তেল শোষণ করার ক্ষমতার কারণে ধনে তৈলাক্ত ত্বকের প্রতিকার হিসেবেও কাজ করে। এটি একটি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, এন্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল এজেন্ট যা ত্বককে ঠান্ডা করতে এবং শীতল করতে সহায়তা করতে পারে।

ব্যবহার

<

p style=”text-align: justify;”>ধনে পাতা নিয়মিত আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা বুদ্ধিমানের কাজ। এগুলি আপনার ডাল, সবজি, সালাদ বা রাইতে যোগ করার চেষ্টা করুন। আপনার ত্বকের জন্য, ধনেপাতার পেস্ট তৈরি করে মাখতে পারেন। তাজা ধনিয়া রস আপনার প্রস্তাবিত দৈনিক ভিটামিন এবং খনিজগুলি পূরণে সাহায্য করার জন্য অনেক উপকারী। দিনে এক গ্লাস রস খাওয়ার চেষ্টা করুন অথবা আপনার বাটার মিল্ক গ্লাসে ১ বা ২ চা চামচ রস যোগ করার চেষ্টা করুন।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google