Shweta Bhattacharjee: পছন্দের জুতোটাও কেনার পয়সা ছিল না শ্বেতার কাছে!

Shweta Bhattacharjee: ছোটবেলায় বেশ পছন্দের জুতো মনে ধরলেও, পয়সার অভাবে বাবার মুখ চেয়ে প্রত্যাখ্যান করতে হয়েছিল! ছোটবেলার এই কষ্টের স্মৃতির কথা শেয়ার করে নিলেন অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য। টলিপাড়ার ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
Shweta Bhattacharjee

Shweta Bhattacharjee: ছোটবেলায় বেশ পছন্দের জুতো মনে ধরলেও, পয়সার অভাবে বাবার মুখ চেয়ে প্রত্যাখ্যান করতে হয়েছিল! ছোটবেলার এই কষ্টের স্মৃতির কথা শেয়ার করে নিলেন অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য। টলিপাড়ার অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ হলেন শ্বেতা। শুধু টলি ধারাবাহিক নয় সে এখন নাম লিখিয়েছেন টলি সিনেমার তালিকায়। সুপারস্টার দেব এর বিপরীতে অভিনয় করে মন জয় করে নিয়েছিলেন দর্শকদের। কিন্তু এই এত্ত পাওনা সবটাই একদিনে আসেনি। বহু কষ্টের ফল ছিল এটি। সম্প্রতি সেই স্মৃতি নিজেই ভাগ করে নিলেন সকলের সঙ্গে।

সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে শ্বেতাকে বলতে শোনা যায়, ছোটবেলায় কিছু কষ্টে কাটানো দিনের কথা। তিনি জানান এমন অনেক দিন গিয়েছে যখন নুন-ভাত খেতে হয়েছে। খুদ খেয়ে উঠে গিয়েছিলেন। কিন্তু মা-বাবার মুখ চেয়ে কখনোই কিছু বলতে পারেননি। এছাড়াও তিনি আরও এক ঘটনার কথাও জানান। মা-বাবার সঙ্গে জুতো কিনতে গিয়েছিলেন শ্বেতা। একটা জুতো দেখেই পছন্দ হয়ে যায় তাঁর। পায়ের মাপে সেটি হওয়ায় জুতো পরে ঘুরেও বেড়াচ্ছিলেন। সেই সময়ই নজরে যায় বাবার দিকে। দেখেন বাবা ইঙ্গিত দিয়ে মা-কে বলছে, এত টাকা নেই তার কাছে। সেই ছোট্ট শ্বেতা নিমেষে বুঝে যায় বাবার পরিস্থিতি। শেষে পায়ের থেকে জুতো খুলে বলেছিলেন, আর ভালো লাগছে না তাঁর এই জুতোটা।

   

খুবই কষ্টে দিন কেটেছিল অভিনেত্রী শ্বেতার। তাঁদের ঘরের অবস্থাও খুব খারাপ ছিল। সেই প্রসঙ্গেও তিনি অনেক কিছুই বলেন। তার মধ্যে একটি হল ছোটবেলা তাঁর এক বান্ধবী ছিল। আর সেই বন্ধুর অবস্থা ছিল বেশ স্বচ্ছল। এমনকী, ওই বাড়িতে গেলে তাঁর মনে হত সেই বাড়র বাথরুমও মাপে তাঁদের ঘরের থেকে বড়। আর এই মুহূর্তে নিজের কাজের দক্ষতায় বাবা মা কে সেই স্বচ্ছল পরিস্থিতি দিতে পারায় সে খুবই গর্বিত।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google