Sri Lanka Crisis: সিংহলি জনতার মারের ভয়ে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার নেই

এবার কে প্রধানমন্ত্রী ? গোরু খোঁজার মতো খোঁজ চলছে।

75

উত্তাল শ্রীলংকা। সোনার লংকায় আগুন জ্বলছে। ত্রেতা যুগে পৌরাণিক মত অনুসারে রাবণের লংকায় আগুন ধরান পবনপুত্র হনুমান। আর একুশ শতকের হাইটেক লংকায় অর্থনৈতিক সংকটে (Sri Lanka Crisis) জর্জরিত বিক্ষুব্ধ জনতা আগুন ধরান পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের বাসভবনে। তিনিও পলাতক। আগেই পালিয়ছেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে।

লংকা টাইমস জানাচ্ছে, বুধবার রনিল বিক্রমাসিংহে পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করবেন দেশটিক সংসদ অধ্যক্ষ। কিন্তু কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? সিংহলি জনতার মারের ভয়ে কেউ রাজি হচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে চলতি সংকটে শ্রীলংকায় ফের জরুরি অবস্থা জারি হতে পারে। সেনাবাহিনী ক্ষমতা তুলে নিতে পারে।

তীব্র আর্থিক সংকটে শ্রীলংকা। রাষ্ট্রসংঘের তথ্য বলছে প্রতি পাঁচ জন সিংহলির মধ্যে চার জন একবেলা খাচ্ছেন। বিদেশি মুদ্রা নেই। জ্বালানি, ওষুধ, খাদ্য কোনও কিছুই আমদানি করতে পারছে না শ্রীলংকা। অভিযোগ, দেশটির প্রবল ক্ষমতাশালী রাজাপাকসে পকিবার কোষাগার নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। আর্থিক সংকট যে তীব্র তার দিকে নজর ছিল না। প্রবল সংকটের কারণে গত মে মাস থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভে জ্বলছে শ্রীলংকা।

আগেই প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পালিয়েছেন মাহিন্দা রাজাপাকসে। তিনি একসময় ভয়ঙ্কর এলটিটিই জঙ্গি সংগঠনকে খতম করে শ্রীলংকার শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, সম্পদের অপচয় অভিযোগ উঠতে থাকে। আরও অভিযোগ রাজাপাকসে পরিবারের সব সদস্যরা ক্ষমতার শীর্ষে গিয়ে দুর্নীতির চরম সীমা পার করেন। আর্থিক সংকটের মুখে সবাই পালান। মাহিন্দার বাড়িতে আগুন ধরানো হয়। তিনি ভয়ে পদত্যাগ করেন। বিরোধী পক্ষ থেকে রনিল বিক্রমাসিংহে কে প্রধানমন্ত্রী করা হয়।

এমনকি শনিবারের বিক্ষোভে মাহিন্দার ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজারাকসে পালিয়ে নৌ বাহিনীর জাহাজে আশ্রয় নিয়েছেন। এর পরেই পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের বাড়িতে হামলা হয়।

এবার কে প্রধানমন্ত্রী ? গোরু খোঁজার মতো খোঁজ চলছে। বিক্ষোভও তুঙ্গে।

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)