বাংলাদেশে (Bangladesh) রাজনৈতিক অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকায় ধর্নায় বসা বিরোধী দলের কর্মীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাজধানীতে চার-পাঁচ ঘণ্টা বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন জানান, বিক্ষোভকারীরা অন্তত চার-পাঁচটি বাসে আগুন দেয়।
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হবে না। এ কারণে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে বিএনপি। পারফরম্যান্সের কারণে জ্যামের সমস্যা থেকে গেল। তবে বিক্ষোভ চলাকালে বড় কোনো দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ পোস্টের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ছয় বিক্ষোভকারীকে আহত অবস্থায় রাজধানীর প্রধান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিক্ষোভ হতে শুরু করে। বিরোধী নেতারা চার-পাঁচটি যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি পুলিশের একটি গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয়। তারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ তার ওপর হামলা চালায়। রাবার বুলেট ছোড়ে। টিয়ার গ্যাসের শেল ছোড়া হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিএনপির ৯০ কর্মীকে আটক করে। বিক্ষোভকারীরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ১৯ সদস্যকে আহত করেছে।
বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও হিংসার অভিযোগে মামলা করবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে বিএনপির সিনিয়র নেতা গয়েশ্বর রায় ও আমানউল্লাহ আমানকেও। যদিও. পরে পুলিশ রায়কে ছেড়ে দেয়। আমানকে ন্যাশনাল কার্ডিয়াক ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
বিএনপি কর্মীদের হিংসার ঘটনায় রোববার রাজধানী ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের সব উপ-জেলায় সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ বলেছেন, বিএনপি আবারো অগ্নিসংযোগ শুরু করেছে। আমরা আর নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারি না। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করব। আওয়ামী লীগের ঘোষণার পর বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সোমবার দেশব্যাপী সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়।