Remal Cyclone: রেমাল ছোবলে চিত্রা হরিণের মৃত্যু মিছিল, বাংলাদেশের নিঝুম দ্বীপের ভয়াল দৃশ্য দেখুন

bangladesh11

সার সার চিত্রা হরিণের মৃতদেহ ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশ থেকে ছড়িয়েছে রেমাল ঘূর্ণি (Remal Cyclone)  পরবর্তী মর্মান্তিক দৃশ্য। এমন দৃশ্য দেখে শিহরিত বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা। চিত্রা হরিণের অন্যতম আবাসস্থল বাংলাদেশের (Bangladesh) নিঝুম দ্বীপ। সেই দ্বীপ জুড়ে হাহাকার পরিস্থিতি। দেশটির উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রামের অন্তর্গত হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত নিঝুম দ্বীপ।

রেমাল ঘূর্ণিঝড় মৃত। বঙ্গোপসাগর থেকে তৈরি হওয়া ঘূ্র্ণির দাপটে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূল এলাকা লন্ডভণ্ড। দুই দেশেই বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। মানুষের মৃত্যু মিছিলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে দুই দেশের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীদের মৃত্যু। আশঙ্কা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ জুড়ে সুন্দরবনের ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন দ্বীপে বন্যপ্রাণীদের বিপুল সংখ্যায় মৃত্যু হয়েছে।

   

আশঙ্কা করা হচ্ছে, বাংলাদেশের অন্যতম বনপ্রাণী মায়া হরিণের আবাসস্থল সোনার চর দ্বীপও ক্ষতিগ্রস্থ। রেমাল ঘূর্ণির সময় বাংলাদেশের দিকে থাকা সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অংশ তলিয়ে গেছিল বলে জানিয়েছিল দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। জলস্তর নামতে শুরু করেছে। এরপরই আসছে বিভিন্ন দ্বীপের করুণ ছবি।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাত ও জলোচ্ছ্বাসে লণ্ডভণ্ড দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। চট্টগ্রাম বিভাগের  নিঝুম দ্বীপসহ হাতিয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন জোয়ারের জলে প্লাবিত হয়েছে।‌ সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে নিঝুম দ্বীপের বহু হরিণ ভেসে গেছে। অনেক হরিণের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান নিঝুম দ্বীপের চেয়ারম্যান মহ: দিনাজ উদ্দিন। তিনি জানান,  গত তিনদিন ধরে হাতিয়ার সঙ্গে বাইরের সব নৌ যোগাযোগ বন্ধ।  স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ আলী বলেছেন নিঝুম দ্বীপে থাকা ৯ হাজার পরিবারের ৩০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

নিঝুম দ্বীপের এক দিকে মেঘনা নদী আর তিন দিকে বঙ্গোপসাগর। নিঝুম দ্বীপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো মাইলের পর মাইল জুড়ে কেওড়া বন আর সেই বনের পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা চিত্রা হরিণ।

২০০১ সালের বাংলাদেশ সরকার পুরো দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে। চিত্রা হরিণের অপর নাম চিত্রল হরিণ, চিত্র মৃগ, চিতল। উপমহাদেশীয় হরিণ প্রজাতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন বলে চিহ্নিত চিত্রা হরিণ।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন