ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার কবলে বাংলাদেশ, ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ

ভারতের তরফে জল ছাড়ার জের, ব্যাপক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ল বাংলাদেশ (Bangladesh Flood)। বাংলাদেশের পুরো দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছে, যাতে লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

ভারতের তরফে জল ছাড়ার জের, ব্যাপক বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ল বাংলাদেশ (Bangladesh Flood)। বাংলাদেশের পুরো দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছে, যাতে লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে এর কারণ কী? জানা গিয়েছে, ভারত তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ত্রিপুরার ডুম্বুর জলাধারের গেট খুলে দিয়েছে। যে কারণে ভারতের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি বাংলাদেশের বহু জায়গা জলের তলায় চলে গিয়েছে। এমনিতে বাংলাদেশে সংরক্ষণ-এর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর দেশে বিশৃঙ্খল পরিবেশ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে এখন পর্যন্ত বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে এবার বাংলাদের ওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার সমান হয়ে দাঁড়িয়েছে ভয়াবহ বন্যা।

   

জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ এখন বন্যার হুমকিতে রয়েছে। ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে আসা জলের জেরে বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলা। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আটটি জেলা। এর মধ্যে রয়েছে সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ফেনী, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও খাগড়াছড়ি।

মুহুরী, কাহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর তীর ভেঙে জায়গায় জায়গায় জল ঢুকতে শুরু করেছে। ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট জলের তলায় চলে গিয়েছে। য়ে যে কারণে লাখ লাখ মানুষকে বিপাকে পড়তে হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। বন্যা কবলিত এলাকায় আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর সহায়তা চেয়েছে জেলা প্রশাসন। স্পিডবোট ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে এখনও অবধি উদ্ধারকাজ চলছে বলে খবর। 

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google