ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে আজ চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনবারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বুধবার দুপুর ২টোয় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেল ৩টে ৩০ মিনিটে শেরেবাংলা নগরে স্বামী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশেই তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হবে।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জানাজার প্রস্তুতি
মঙ্গলবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংসদের দক্ষিণ প্লাজার পরিবর্তে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে জানাজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে। বুধবার সকালেই বেগম জিয়ার মরদেহ গুলশানের বাসভবন থেকে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি বিশেষ সামরিক গাড়িতে করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নিয়ে আসা হয়। সংসদ ভবনের অভ্যন্তর থেকে শুরু করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পুরো চত্বর জুড়ে শেষকৃত্যের বিশাল আয়োজন করা হয়েছে।
উপস্থিত থাকছেন জয়শঙ্কর-সহ বিদেশি প্রতিনিধিরা Khaleda Zia funeral
বেগম খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে যোগ দিতে আজ ঢাকায় আসছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভারত সরকার ও জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি এই শোক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। জয়শঙ্কর ছাড়াও পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার এবং আরও বেশ কিছু দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা জানাজায় শরিক হতে পারেন বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। বিদেশি অভ্যাগতদের আগমন এবং জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানী জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে ডিএমপি-র নির্দেশিকা
জানাজা ও সমাধিস্থ করার প্রক্রিয়ার কারণে আজ ঢাকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যান চলাচল সীমিত করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিশেষ করে গুলশান থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং সেখান থেকে চন্দ্রিমা উদ্যান অভিমুখে যাওয়ার রাস্তাগুলিতে সাধারণ যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। ডিএমপি-র তরফে জানানো হয়েছে, মরদেহ বহনকারী গাড়ি বহরের গতিবিধি নির্বিঘ্ন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।




















