আদালতেই প্রাক্তন মহিলা মন্ত্রীকে পরপর ঘুষি, গণপ্রহারে মৃত্যুভয়ে দীপু মণির কান্না

জনতা তেড়ে গেল। আইনজীবীরা তেড়ে গেলেন। পুলিশের ঘেরাটোপেই শুরু হল মার। চড় ঘুষি খেতে খেতে এজলাসে ঢুকলেন মৃত্যুভয়ে ভীত (Dipu Moni) দীপু মণি। তিনি বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্যতম মহিলা নেত্রী যাঁর বিশ্বজোড়া পরিচিতি। ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) সরকারে কখনও বিদেশ তো কখনও শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন।

গত ৫ আগস্ট রক্তাক্ত ছাত্র আন্দোলনের রেশ ধরে হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত। খোদ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রিত। বাংলাদেশে এখন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চলছে।

   

ছাত্র আন্দোলন দমনে শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের মন্ত্রী-নেতাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের হয়েছে। তেমনই একটি মামলায় আসামী করা হয়েছে দীপু মণিকে। সরকার পতনের পর তিনিও আত্মগোপনে ছিলেন। ধরা পড়ে আপাতত পুলিশ হেফাজতে আছেন।

রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বকাপ হবে না বাংলাদেশে

সরকারি চাকরিতে আসন সংরক্ষণ সংশোধন ইস্যুতে গত জুলাই মাস থেকে রক্তাক্ত বাংলাদেশ। চলতি আগস্ট মাসের ৫ তারিখ বিক্ষোভের মুখে সরকারের পতন হয়। দীপু মণির বিরুদ্ধে অভিযোগ, আন্দোলন চলাকালীন তাঁর নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছিল। ঢাকার মোহাম্মদপুরে আবু সায়েদ নামে এক দোকানিকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রাক্তন মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে। একইসঙ্গে ধরা পড়েন প্রাক্তন ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়।

সোমবার দুজনকে পুলিশ গোয়েন্দা বিভাগে জেরা করা হয়। মঙ্গলবার তাদের আদালতে আনার পথে শুরু হয় জনতা ও আইনজীবীদের বিক্ষোভ ও হামলা। অভিযোগ, শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী আইনজীবীরা হামলায় অংশ নেন। পুলিশের পাহারার মাঝেই দীপু মণিকে লাগাতার চড়, ঘুষি মারা শুরু হয়। হেলমেট পরানো থাকায় তিনি মাথায় আঘাত পাননি।

ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিনের এজলাসে দীপু মণিকে ভয়ে কাঁপতে দেখা যায়। তিনি গণপিটুনিতে মৃত্যুর ভয়ে কাঁপছিলেন। তাঁর ফাঁসি চেয়ে আপিল করা হয়েছে। দীপু মনির জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারপতি।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন