ইন্টারনেট সচল হতেই সংঘর্ষ বাংলাদেশে, পড়ুয়াদের হটাতে পুলিশের গুলি

ইন্টারনেট সচল হতেই পড়ুয়াদের বিক্ষোভ ফের ছড়াতে শুরু করল (Bangladesh) বাংলাদেশে। এবার সংঘর্ষের কেন্দ্র বাণিজ্য-বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ইস্যুকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে…

ইন্টারনেট সচল হতেই পড়ুয়াদের বিক্ষোভ ফের ছড়াতে শুরু করল (Bangladesh) বাংলাদেশে। এবার সংঘর্ষের কেন্দ্র বাণিজ্য-বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ইস্যুকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে (Chittagong) পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সেই ছবি বাংলাদেশের বাইরে থেকে ভাইরাল করছেন সরকার বিরোধী বেশকয়কজন ব্লগার। অভিযোগ, তাদের উস্কানি চলছেই।

চট্টগ্রামের পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পড়ুয়ারা বিক্ষোভ শুরু করেন।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ এবং গুলি করে। এতে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে।সোমবার চট্টগ্রামের সংঘর্ষে একাধিক পুলিশকর্মী জখম। অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। 

   

বাংলাদেশ সরকারের দাবি, পড়ুয়াদের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে জামাত ইসলামিসহ বিভিন্ন উগ্র সংগঠন রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। রক্তাক্ত বিক্ষোভের পর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা নিয়ম বাতিল করে ৯৩ শতাংশ চাকরি মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নির্দেশ দেয়। আন্দোলনকারীদের একাংশের দাবি, ধরপাকড় বন্ধ না হলে বিক্ষোভ চলবেই।

Advertisements

হাইকোর্টের মন্তব্য ‘জাতির সঙ্গে মশকরা’, বিতর্কে হাসিনা সরকার

জানা যাচ্ছে, চট্টগ্রামের মত হিংসাত্মক বিক্ষোভ চলেছে বগুড়া, বরিশালসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে। তবে রাজধানী শহর ঢাকা আপাত শান্ত। পরিস্থিতি যে কোনও সময় গতসপ্তাহের মত রক্তাক্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা।

ঢাকায় বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে হতাহতের প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচি উপলক্ষ্যে রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা জোরদার করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের অন্যান্য জায়গায়ও বাহিনীর সদস্যরা তৎপর। সারাদেশে টহল জোরদার করা হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের মূল দাবি পূরণ হওয়ায় ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ এর একাংশ তাদের সব কর্মসূচি প্রত্যাহারকে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছে আরেক অংশ। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার ঢাকার অন্তত ছয় জায়গায় জড় হওয়ার চেষ্টা করে আন্দোলনকারীরা। তাদের হটিয়ে দেয় পুলিশ।

রাজেন্দ্র নগরের কোচিং সেন্টারে দুর্ঘটনার পর বরখাস্ত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, এলাকায় নামল বুলডোজার

হিংসাত্মক কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দেশব্যাপী একদিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।