সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি

সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) পিছিয়ে গেল ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি। ৩ সপ্তাহ পর এই মামলা ফের উঠবে সর্বোচ্চ আদালতে। আজ, মঙ্গলবার এই মামলার…

ssc-supreme-court

সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) পিছিয়ে গেল ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি। ৩ সপ্তাহ পর এই মামলা ফের উঠবে সর্বোচ্চ আদালতে। আজ, মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। কলকাতা হাইকোর্ট আগেই ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করেছিল। যদিও সেই রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে কিছু শর্তও দেয়।

এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, চাকরি বাতিলের মামলায় সবার বক্তব্য শোনা হবে। মূলত রাজ্য, এসএসসি, মূল মামলকারী, চাকরিহারা এবং সিবিআইয়ের বক্তব্য শুনবে আদালত। এ ছাড়া অন্য কোনও পক্ষ তাদের বক্তব্য জানাতে চাইলে লিখিত ভাবে ২ সপ্তাহের মধ্যে  সুপ্রিম কোর্টকে জানাতে পারবে। তবে সবক্ষেত্রেই বক্তব্য ৫ পাতার মধ্যে জানাতে হবে।

   

৭ মে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়ে দেয়, এখনই চাকরি বাতিল করা হচ্ছে না। হাইকোর্টের রায়ের কয়েকটি ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশের নির্দেশ দিলেও শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, সাদা খাতা জমা দিয়ে এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেল থেকে যারা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত চলবে।

একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দেয়, যদি ভবিষ্যতে কেউ অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী বলে প্রমাণিত হন, তাহলে তাঁকে বেতন ফেরত দিতে হবে। মুচলেকাও দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। দীর্ঘ শুনানির শেষে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় আরও বলেন, নবম-দশম শ্রেণির এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করলে পঠনপাঠনও ব্যাহত হবে। আপাতত যোগ্য ও অযোগ্য বাছাই করাই মূল বিষয়। 

শীঘ্রই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা, মন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তৃণমূলের কোন কোন বিধায়ক?

প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে এসএসসি জানিয়ে ছিল, ২০১৬-র চাকরির প্রায় ১৯০০০ নিয়োগ বৈধ। অর্থাৎ, এটা স্পষ্ট যে ৭০০০ নিয়োগ অবৈধ, তা শীর্ষ আদালতে বকলমে স্বীকার করে নেয় এসএসসি। এরপর মামলার শুনানির দিন ১৬ জুলাই ধার্য করে আদালত।

২২ এপ্রিল, সোমবার ২০১৬ সালের এসএসসির পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের এই নজিরবিহীন রায়ের ফলে চাকরি হারান ২৫ হাজার ৭৫৩ জন।

কোপা ফাইনালে ‘মারামারি’ অভিযোগে গ্রেফতার কলম্বিয়ার ফুটবল সভাপতি

একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দেয়, এসএসসি প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে হবে। সুদের হার হবে বছরে ১২ শতাংশ। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চাকরিহারাদের একাংশ, এসএসসি এবং পর্ষদ।