- ওড়িশা থেকে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকার মুখে বিরাট গোরু চোরাচালান রুখল জেলা পুলিশ। (paschim medinipur)
- গোরু পাচার মামলায় আগেই অনুব্রত মণ্ডল জেলে।
আন্তর্জাতিক নয়, আন্ত:রাজ্য গোরু পাচার চলছিল। পশ্চিমবঙ্গ সীমানায় বিরাট গোরু পাচার রুখল পুলিশ। এই ঘটনায় জেলার দাঁতন সরগরম। প্রতিবেশি রাজ্য ওড়িশা থেকে কমপক্ষে ৭০০ গোরু পাচার হচ্ছিল বলে জানা যাচ্ছে।
শনিবার দাঁতনে ঢোকার মুহূর্তে আন্ত:রাজ্য সীমানায় ট্রাক-ট্রাক ভর্তি গোরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাকা চেকিংয়ের সময় আটক করা হয় ৮টি গোরু বোঝাই ট্রাক।
এ যেন অনুব্রত মণ্ডলের দেখানো পথে তাকেই টপকে যাওয়ার চেষ্টা!
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে দাঁতনের সোনাকনিয়া চেক পোস্টের কাছে রাজ্য পুলিশের নাকা চেকিং চলছিল। এমন সময় ওড়িশার দিক থেকে কয়েকটি ট্রাক দেখে সন্দেহ হয়। তল্লাশি করতেই দেখা যায় পর পর ৮টি ট্রাক গোরু ভর্তি। আটক করা হয়েছে ট্রাক চালকদের। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ নিশ্চিত হয় ওড়িশার দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গে গোরু পাচার চলছিল।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, গোরুগুলি ওড়িশার ভদ্রক থেকে নিয়ে আসা হচ্ছিল। জেরায় ট্রাক চালকরা জানায়, এই গোরু চালান বেলদাতে পৌঁছে দিতে বলা হয়।
এদিকে গোরু পাচার নিয়ে সরগরম জেলার রাজনীতি। শাসক তৃ়ণমূল কংগ্রেস, বিরোধী বিজেপি ও সিপিআইএমের মধ্যে চলছে গোরু নিয়ে আকচা আকচি। তবে এত গোরু একসাথে চালান রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
রাজ্যে কোটি কোটি টাকার গোরু পাচার মামলার তদন্ত চলছে। সিবিআই ও ইডি তদন্তে উঠে এসেছে বিএসএফের একাংশ ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের যোগসাজসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে গোরু পাচার হতো। এই মামলায় বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি জেলে। তাঁর কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে দিল্লিতে ইডি জেরা করেছে। রাজ্য সরকার থেকে নিয়োগ করা অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সরাসরি গোরু পাচারে জড়িত বলেই তদন্তে উঠে এসেছে। সায়গল তিহার জেলে বন্দি।




















