কলকাতা: নতুন বছরের তৃতীয় দিন ৩ জানুয়ারি ২০২৬ (weather)। পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ এখনও জাঁকিয়ে বসে আছে, কিন্তু আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে কিছুটা স্বস্তির খবরও রয়েছে। উত্তরবঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় হালকা তুষারপাতের পর এখন শুষ্ক আবহাওয়া ফিরছে, যদিও কনকনে ঠান্ডা এবং কুয়াশার দাপট অব্যাহত। দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা সামান্য বাড়ছে, কিন্তু সকালের ঘন কুয়াশা যান চলাচলে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
আইএমডি-র রিজিওনাল মেটিওরোলজিক্যাল সেন্টার, কলকাতা জানিয়েছে, আজ থেকে রাজ্যজুড়ে মূলত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে, তবে সকালে অগভীর থেকে মাঝারি কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে।উত্তরবঙ্গের ছবি একটু অন্যরকম। দার্জিলিংয়ে গত দু’দিন হালকা তুষারপাত এবং বৃষ্টির পর আজ থেকে আবহাওয়া স্থিতিশীল হচ্ছে। কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বিচ্ছিন্ন বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল, কিন্তু আজ থেকে পুরো উত্তরবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়াই প্রভাবিত হবে।
সাদা জার্সিতে দুই তারকা, হালান্ডের সই করা বুট পেলেন ভারত অধিনায়ক
তবে ঠান্ডা কমছে না। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪-৬ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে, সিলিগুড়িতে ১০-১২ ডিগ্রি। কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুরের মতো জেলায় ঘন কুয়াশার জন্য হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। সকালে দৃশ্যমানতা অনেক কমে যাওয়ায় গাড়ি চালাতে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। পাহাড়ে পর্যটকরা তুষারপাতের আনন্দ নিলেও, নীচের জেলাগুলোতে হাড় কাঁপানো শীত চলছে।
আইএমডি জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা আরও ২-৩ ডিগ্রি কমতে পারে, তারপর স্থিতিশীল থাকবে।দক্ষিণবঙ্গে সামান্য স্বস্তি। কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি বেড়ে ১৪-১৬ ডিগ্রির কাছাকাছি উঠতে পারে। পুরুলিয়া, আসানসোল, বাঁকুড়ার মতো পশ্চিমের জেলাগুলোতে এখনও শীতের তীব্রতা বেশি, সেখানে সর্বনিম্ন ১০-১২ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে।
কলকাতায় আজ সকালে ঘন কুয়াশা থাকবে, দিনের তাপমাত্রা ২৪-২৬ ডিগ্রির আশপাশে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ ও আগামিকাল তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে, তারপর টানা তিন দিন স্থিতিশীল থাকবে। কিন্তু কুয়াশার দাপট কমছে না। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ সহ প্রায় গোটা দক্ষিণবঙ্গে সকালে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা। এর ফলে রাস্তায় যান চলাচল, রেল ও বিমান পরিষেবায় বিলম্ব হতে পারে। বায়ুর মানও কিছুটা খারাপ হয়ে রয়েছে, শ্বাসকষ্টের রোগীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
