NIA: আধিকারিকদের উপর হামলায় উচ্চ আদালতের দারস্থ এনআইএ

nia

এনআইএ(NIA) এর ঘটনায় আজ সকালে দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, আটক হওয়া তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের তাঁরা ছেড়ে দিয়েছিলেন আগেই। তবে তৃণমূল নেতারা নিজেরাই থানা চত্বর ছাড়ছেন না। আজ সকালে তৃণমূল নেতাদের থানার সামনে বসে থাকতে দেখা যায়। সেখানে বসে তাঁদের একে অপরের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। এই ধরনার বসার ১৫ মিনিটের মধ্যে দিল্লি পুলিশ তৃণমূল নেতাদের তুলে দেয় সেখান থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ডেরেক ও’‌ব্রায়েন, সাকেত গোখলে এবং সাগরিকা ঘোষের আঘাত লেগেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

এরপর ভূপতিনগরে আধিকারিকদের উপরে ‘হামলা’ চালানোর ঘটনায় এ বার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সেখানে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। মঙ্গলবারই দুপুর আড়াইটের সময় মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা। তবে “মহামান্য কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ২০২৩ সালের ৬ জুন একটি বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নেয় তারা। সেই মতোই শনিবার নারুয়াবিলা গ্রামে তল্লাশি চালাতে যাওয়া হয়।” কোনও অনৈতিক কাজ করা হয়নি বলেও বিবৃতিতে দাবি করে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি।

   

এনআইএ তাদের বিবৃতিতে জানায়, বিস্ফোরণকাণ্ডে ধৃত দু’জনকে স্থানীয় থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা ‘বিনা প্ররোচনায়’ তদন্তকারীদের উপরে হামলা চালায়। এক জন তদন্তকারী আহত হন এবং এনআইএর সরকারি গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও শাসকদল এনআইএর যুক্তি মানতে নারাজ। তারা বলেন এনআইএ অভিযানের সময় নিয়ে। একই সঙ্গে তাদের অভিযোগ, এনআই‌এর এক কর্তার সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করেছেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তার পরেই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রধানকে বদল করা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবিতে সোমবারের পর মঙ্গলবারও দিল্লিতে ধর্নায় বসে তৃণমূল।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন