পঞ্চায়েত ভোট সামনে রেখেই কি উচ্চমাধ্যমিকের মেধাতালিকা ? উঠছে প্রশ্ন!

CBSE Student

প্রকাশিত হল চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল। এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিলেন প্রায় সাড়ে ৮ লক্ষ পরীক্ষার্থী।গতবারের থেকে সংখ্যাটা ১ লক্ষেরও বেশি। মার্কশিট মিলবে ৩১ মে। পরীক্ষা শেষের ৫৭ দিনের মাথায় এবার উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হল। পাসের হার ৯০ শতাংশ। পাসের হারে প্রথম পূর্ব মেদিনীপুর।

মেধাতালিকায় জেলার দাপট। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক দুটি পরীক্ষায় জেলা ও গ্রামাঞ্চলের নজরকাড়া সাফল্য। পাশের হারে জেলার চমক। সেই তুলনায় কলকাতা ও শহরভিত্তিক এলাকায় কম পাশ। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন পঞ্চায়েত ভোট সামনে। আর শিক্ষা বিভাগের দুর্নীতে জেরবার মমতা সরকার। বারবার গণটোকাটুকির অভিযোগ উঠেছে। ফলাফলে দেখা যাচ্ছে বিপুল ঝলক সবই গ্রামাঞ্চল মফস্বল ভিত্তিক। কটাক্ষ করে বলা হচ্ছে সামনেই পঞ্চায়েত ভোট।

   

বুধবার দুপুর ১২টায় সাংবাদিক বৈঠক করে ফলঘোষণা করে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ঘোষণা করা হয় প্রথম থেকে দশম স্থানাধিকারীদের নাম।এ বছর উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ৮৭ জন পড়ুয়া রয়েছেন, গতবছর যে সংখ্যা ছিল ২৭২। মেধাতালিকায় এ বার প্রথম দশে হুগলি থেকে ১৮ জন রয়েছেন।

এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন শুভ্রাংশু সরকার। তিনি নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে বিদ্যালয়ের ছাত্র। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। উচ্চমাধ্যমিকে যুগ্ম ভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ের সুষমা পাল এবং উত্তর দিনাজপুরের রামকৃষ্ণপুর প্রমোদ দাশগুপ্ত মেমোরিয়াল হাইস্কুলের আবু সামা। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। শতাংশের হারে ৯৯ শতাংশ পেয়েছেন।

উচ্চমাধ্যমিকে তৃতীয় হয়েছেন চার জন। তমলুকের হ্যামিলটন হাইস্কুলের চন্দ্রবিন্দু মাইতি, বালুরঘাটের ললিতমোহন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অনসূয়া সাহা, আলিপুরদুয়ারের কামাখাগুড়ি গার্লস হাইস্কুলের পিয়ালি দাস এবং বালুরঘাট ললিত মোহনের শ্রেয়া মল্লিক। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪।

উচ্চমাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছেন তিন জন, বালুরঘাটের ডঙ্গরহাট হাইস্কুলের সৃজিতা বসাক, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ইছাপুর হাইস্কুলের প্রেরণা পাল। এঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩। ৯৮.৬ শতাংশ হারে নম্বর পেয়েছেন তাঁরা।

পাশের হার কী তবে বাড়ল পঞ্চায়েত ভোটের কথা মাথায় রেখেই। উঠছে প্রশ্ন‌।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন