
কলকাতায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে যখন হঠাৎ করেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) সক্রিয় হল। কয়লা কাণ্ডের পুরনো মামলার জের ধরে সকাল সকাল অভিযান চালাতে দেখা গেল তদন্তকারী সংস্থাকে। অভিযানের লক্ষ্য ছিল নির্বাচনী কৌশল রচনাকারী সংস্থা I-PAC এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি। তথ্য মিলেছে, ED আধিকারিকরা প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গে সল্টলেকের I-PAC অফিসেও উপস্থিত হন।
এই খবর পৌঁছতেই, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। যদিও বাড়িতে ঢুকেছিলেন খালি হাতে, বেরিয়ে আসেন তিনি একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে। সেই মুহূর্ত থেকেই রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বেড়ে যেতে থাকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেন, ED-এর এই অভিযান ছিল প্রার্থী তালিকা, নির্বাচনী কৌশল এবং দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, “IPAC-এর কাছ থেকে আমাদের প্রার্থিতালিকা, নির্বাচনী কৌশল এবং দলের ভিতরের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এটা সম্পূর্ণরূপে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। এমন ধরনের তৎপরতা কোনো গণতান্ত্রিক সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।”
মমতার(Mamata Banerjee) এই অভিযোগ রাজনৈতিক মহলে এবং জনসাধারণের মধ্যে যথেষ্ট উত্তেজনা তৈরি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী প্রচারের ঠিক আগ মুহূর্তে এমন অভিযান রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে। I-PAC, যা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে কৌশল রচনা করে থাকে, সেই সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি লক্ষ্য করে অভিযান চলায় রাজনৈতিক দলগুলি সর্তক। ED কর্তৃপক্ষ এখনও এই অভিযানকে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি। তবে সরকারি সূত্রে জানা যায়, কয়লা কাণ্ডের পুরনো মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই মামলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নথি ও তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, নির্বাচনী সময়ের এই অভিযান স্বাভাবিক তদন্তের সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে।










