
কলকাতায় আই-প্যাক অফিসেইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট)-এর অভিযান, রাজনৈতিক মহলে এক নতুন আলোচনার সূচনা করেছে। কংগ্রেস (Congress) নেতা সন্দীপ দীক্ষিত এই অভিযান নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, ‘‘বিজেপি কেন এই ইডি অভিযানে এত আগ্রহী? এটি ইডির কাজ, BJP এর কী কাজ সেখানে?’’ তাঁর এই মন্তব্যে ইডির কাজের পেছনে বিজেপির রাজনৈতিক স্বার্থের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
সন্দীপ দীক্ষিত অভিযোগ করেছেন যে, ইডি বিজেপির এজেন্ট (Congress) হিসেবে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘‘ইডি তাদের রাজনৈতিক ফাইল নিতে গিয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, ইডি তাদের দলের এবং আই-প্যাকের ফাইল নিয়েছে, কারণ আই-প্যাককে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারের জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল।’’ তাঁর মতে, বিজেপি এখন ইডি-কে নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহার করছে এবং অন্য রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছে, যাতে তারা তাদের একাধিক রাজনীতিক কৌশল আরও শক্তিশালী করতে পারে।
তৃণমূল কংগ্রেসের(Congress) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আই-প্যাক, যার নেতৃত্বে আছেন পঙ্কজ গুপ্ত, তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারের জন্য একটি কনসালটেন্সি ফার্ম হিসেবে কাজ করেছিল। বিজেপির অভিযানের পেছনে এই সম্পর্কের বিষয়টি একটি বড় কারণ হতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বরাবরই বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ খোলেন এবং বিরোধী দলের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সেক্ষেত্রে, এই অভিযান এবং তার পিছনে থাকা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে নানা কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এমন সময়ে যখন বিজেপি বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা যেমন ইডি, সিবিআই এবং ইডি আগ্রহ দেখাচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেসের নেতারা একযোগে অভিযোগ করছেন যে ইডি এসব সংস্থা এখন বিজেপির রাজনৈতিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। ইডি যে শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই নয়, অন্যান্য বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধেও তদন্ত চালাচ্ছে, তাও রাজনৈতিক বিভাজনের সৃষ্টি করছে। বিরোধীরা বলছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়া এমন অভিযান এবং তদন্ত চালানো হচ্ছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি করছে।









