
নিয়োগ দুর্নীতিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এরপরেই শুক্রবার রাতে শিক্ষা দফতরে হানা দিল সিবিআই। মন্ত্রীর ঘরের উল্টোদিকের গুদাম ঘর থেকে একাধিক নথি নিল তাঁরা।
শিক্ষা দফতরে শুক্রবার হঠাৎ হানা সিবিআই আধিকারিকদের। গুদাম ঘরে ঢুকে ঘরটি সিল করে দেয় সিবিআই। এরপর সোজা মন্ত্রীর ঘরের উল্টোদিকে সচিবালয়ে হাজির হন তাঁরা৷ খতিয়ে দেখেন কম্পিউটারের একাধিক নথি৷ এরপর সেখান থেকে একাধিক নথি নিয়ে বেরিয়ে যায় সিবিআই৷ কথা বলেন একাধিক আধিকারিকদের সঙ্গে৷
শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক নিয়োগ দুর্নীতি মামকায় এই মুহুর্তে তদন্ত করছে সিবিআই। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য আধিকারিকরা এখনও জেলবন্দী৷ ভুয়ো নিয়োগ খুঁজে বের করতে পর্ষদের পাশাপাশি তৎপর হয়েছে তদন্তকারী সংস্থাও। এরই মধ্যে আজ সিবিআইয়ের অভিযান ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সূত্রের খবর, স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতিতে কনিশনের ভূমিকা নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা কেটেছে৷ এমনকি সুবীরেশ ভট্টাচার্যের ভূমিকাও কিছুটা স্পষ্ট করা গেছে। এখন নিয়োগের ক্ষেত্রে অনুমোদন কারা দিত? নিয়োগ দুর্নীতির কফিনে শেষ পেরেক কে মারতেন? সেই উত্তর খুঁজে বের করতেই আজ শিক্ষা দফতরে উপস্থিত হয়েছে সিবিআই৷










