ক্ষমতায় এসে কর্মীদের ভুলে যাচ্ছেন নেতারা, TMC নেতা কাজল শেখের হুঙ্কার

মমতার পছন্দের নেতাদের উপর ভাষণ-হামলা কাজলের

TMC Leader Kajal Sheikh

বগটুই গণহত্যার ঘটনার তদন্তে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বীরভূম জেলা নেতাদের বালি পাথর খাদানের বখরা নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব উঠে আসছে। মমতার শাসনে এ রাজ্যে সংখ্যালঘু গণহত্যার তদন্তে সিবিআই নেমেছে। আর বাম জমানায় বীরভূমের সূচপুর গণহত্যা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দলের ভূমিকায় থেকে যতটা সরব ছিল তার থেকে সরে এসেছে বলে দাবি দলেরই বিক্ষুব্ধ নেতা কাজল শেখ।

২০০০ সালে সুচপুরে ১১ জনের গণহত্যার খবর পেয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনায় ৪৪ জন সিপিআইএম কর্মীদের সাজা দিয়েছিল আদালত৷ এই ঘটনা তৃণমূল কংগ্রেসতে প্রসারে সাহায্য করেছিল বলে মনে করেন দলটির কর্মী সমর্থকরা।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে সূচপুর গণহত্যা নিয়ে দলেরই শীর্ষ ও জেলার নেতাদের বিরুদ্ধে সরব কাজল শেখ। তার দাবি, সময় বদলে সুচপুরের ঘটনা ভুলতে বসেছেন তৃণমূলের নেতারাই৷

   

কাজল শেখের দাবি, সুচপুরের ঘটনার পর আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়। কিন্তু যাদের জন্য নানুরের বাম ঘাঁটিতে তৃণমূলের বিস্তার, তাদেরকেই ভুলতে বসেছে নেতারা। তাঁর কথায়, এই ১৫ জন তৃণমূল কর্মীর জন্য নানুরে ঘাসফুল ফুটেছে। তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু পরিবারগুলোর এখন কী অবস্থা তার কেউ খোঁজ রাখে না৷

পড়ুন: Dudhkumar Mandal: ‘অপেক্ষা করুন দেখবেন কী করি’, বিজেপির উপর হামলার ছক করছেন দুধকুমার

কাজল শেখ প্রকাশ্য মঞ্চে নানুরের বিধায়ক এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার সামনেই । দলের নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হন। কাজল শেখের বক্তব্য, ভোটের অঙ্ক না দেখে পরিবারগুলোর কথা ভেবে দেখুন৷ তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালে দুষ্কৃতিদের প্রাধান্যে নানুরে সিপিআইএমের জয় হয়েছিল৷ আগামীতেও এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে দাবি করেছেন তিনি৷

প্রসঙ্গত, বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন৷ এখন থেকেই তার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে সমস্ত দল। তার আগে বীরভূমের নেতার মুখে একথা শোনার পরেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গেছে।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন