মাটিগাড়ায় মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাসকে ঘিরে তৃণমূল সরকারের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) । সরাসরি কোনো নাম না উল্লেখ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে যদি মন্দির তৈরি করা হয়, তাহলে কোনও বাধা আসে না। তবে, মাটিগাড়ায় মহাকাল মন্দিরের কাজকে নিয়ে তিনি বলেছেন, “সেটি ঠিকভাবে হচ্ছে না। কিছুটা দূরেই দুর্গাঙ্গন হওয়ার কথা ছিল। তিন-চার কোটি টাকা ব্যয় করে মাটি ফেলা হল, কিন্তু এখানে মন্দির তৈরি হয়নি।”
দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) আরও বলেন, ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে যদি মন্দির তৈরি করা হয়, তাহলে সব বাধা কাটিয়ে ওঠা যায়। কিন্তু বর্তমানে উল্টো পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তিনি উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন, রাম মন্দির তৈরি করতে বিজেপি নৈতিকভাবে সাহায্য করেছে। সাধারণ মানুষ চাঁদা দিয়েছে এবং সাধু-সন্তরা মন্দির নির্মাণে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। তার মতে, এই উদ্যোগের ফলে কোনো বাধা সৃষ্টি হয়নি। এছাড়াও নাম না করে তৃণমূল শিবিরকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আজ পরিস্থিতির কারণে কিছু মানুষদের মন্দিরে যেতে হচ্ছে। ঠেলার নাম বাবাজি, ঠেলায় পড়লে বিড়াল নাকি গাছে ওঠে। কেউ কেউ আবার মন্দিরে উঠছে।” তিনি এই মন্তব্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ করেছেন এবং তৃণমূল সরকারের কার্যপদ্ধতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মন্তব্যে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, মন্দির নির্মাণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব এখনো তীব্র। তাঁর মতে, মাটিগাড়ার মহাকাল মন্দিরের ক্ষেত্রে সরকার প্রয়াসের অভাবে প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি রাজনৈতিক ভঙ্গিতে এটিকে জনগণের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
মাটিগাড়ার মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস নিয়ে দিলীপ ঘোষের(Dilip Ghosh) মন্তব্যে ধর্ম, সংস্কৃতি এবং রাজনীতির মিশ্র প্রভাব স্পষ্ট। তিনি সরাসরি কোনো দলের নাম না উল্লেখ করলেও তৃণমূল শিবিরের কার্যপদ্ধতি ও উদ্দেশ্যকে কঠোর সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, মন্দির নির্মাণে সৎ উদ্দেশ্য ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ থাকলে বাধা আসে না, আর রাজনৈতিক বা স্বার্থপর উদ্যোগে বাধা অদৃশ্য নয়।


