অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মলয় পিটের সম্পত্তি খতিয়ে দেখতে ফের CBI তলব

12
CBI raids house of former chief minister Lalu Prasad Yadav in recruitment corruption case

গোরু পাচার মামলায় এবার সিবিআইয়ের নজরে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ মলয় পিট৷ সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে তাকে ফের তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ এত বিপুল পরিমাণ টাকা কীভাবে এল? কারা টাকা দিত সমস্ত জানতেই তলব করেছে সিবিআই৷

এর আগে মলয় পিটের একটি পলিটেকনিক কলেজে অভিযান চালায় সিবিআই৷ সূত্রের খবর, গরু পাচার মামলায় শুরু থেকেই স্বাধীন ট্রাস্টের কথা উঠে আসছিল। সেই ট্রাস্টের দুটি লালবাতি দেওয়া গাড়ি ব্যবহার করতেন অনুব্রত মণ্ডল। একথা আগেই জানতে পেরেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। পরে অবশ্য মলয় পিট নিজেই জানিয়েছিলেন, ট্রাস্টের দুটি গাড়ি ব্যবহার করতেন অনুব্রত। গাড়িতে লালবাতিকাণ্ডের পর গাড়ি বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলাম। দুটি গাড়িই কিনে নিতে চেয়েছিলেন অনুব্রত। খুব কম দাম দেওয়ায় গাড়ি বিক্রিতে রাজি হইনি।

সূত্রের খবর, রাজ্যের একাধিক জায়গায় পলিটেকনিক কলেজ রয়েছে। সেবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অনুমান, গরু পাচারের টাকা বিভিন্ন পলিটেকনিক কলেজে ব্যবহার করা হয়েছে। সেই অনুমানের ভিত্তিতেই তলব করা হয়েছে মলয় পিটকে৷ একইসঙ্গে অনুব্রতর সঙ্গে মলয় পিটের সম্পর্ক কেমন ছিল তা জানতে চান সিবিআই আধিকারিকরা।

উল্লেখ্য, গোরু পাচার মামলায় তদন্তে নেমে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তিদের সম্পত্তির পরিমাণ সিবিআইয়ের নজরে। তাই বীরভূম জুড়ে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসাররা৷ নিয়ম করে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তিদের তলব করা হয়েছে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে।

কয়েকদিন আগেই অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বোলপুরের নীচুপট্টির বাড়িতে উপস্থিত হয় সিবিআই৷ কিন্তু সিবিআইয়ের কাছে বিশেষ কিছু বলতে রাজি হননি সুকন্যা। বরং বল ঠেলেছেন হিসেবরক্ষক মনীশ কোঠারির কোর্টে৷ এমত অবস্থায় অনুব্রত মণ্ডলের অনুব্রত ঘনিষ্ঠ একাধিক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই।