উত্তপ্ত উলুবেড়িয়ায় রবিবাসরীয় অভিযানের ঘোষণা শুভেন্দুর

Kolkata High Court Grants Permission for Shubhendu’s Rally

হজরত মহম্মদকে নিয়ে  হিন্দুত্ববাদী নেত্রী নূপুর শর্মা সমালোচনামূলক মন্তব্য করায় শুক্রবার হিংসাত্মক প্রতিবাদ হয় দেশজুড়ে। হাওড়ার একাধিক এলাকা ছিল অগ্লিগর্ভ। উলুবেড়িয়ার একটি বিজেপির পার্টি অফিস জ্বালিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা৷ শনিবার উলুবেড়িয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু হাওড়া যাওয়ার পথেই গ্রেফতার করে পুলিশ। এবার উলুবেড়িয়া যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এমনই ঘোষণা করলেন।

শনিবার ফেসবুক পোস্টে নন্দীগ্রামের বিধায়ক লেখেন, “হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া যাওয়ার পথে রাজ্য বিজেপির সভাপতি ও মাননীয় সাংসদ ডঃ সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্য বিজেপির সম্পাদিকা বিশিষ্ট আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল কে, রাজ্য প্রশাসন পুলিশকে অপব্যবহার করে যে ভাবে আটকালো তার তীব্র নিন্দা করছি। এই প্রক্রিয়া গত দুদিনের হিংসার ঘটনার নেপথ্য কাহিনীকে লুক্কায়িত রাখা ও প্রকৃত সত্য কে ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা মাত্র।”

   

তিনি লিখেছেন, “আমি বর্তমানে পুরুলিয়ার পথে, বলরামপুরে একটি পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছি। আগামীকাল আমি ভস্মে পরিণত হওয়া বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ পার্টি অফিস পরিদর্শনে যাবো। আমাদের দলীয় কার্যালয় আমাদের কাছে মন্দিরের সমতুল্য। আমাদের কার্যকর্তাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমাদের যে সকল দলীয় কার্যালয়গুলি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বা ধ্বংস করা হয়েছে, সেগুলি আবার সেই ভস্মের ছাই থেকে পুনর্নির্মিত হবে। ইতিহাসের পাতা অনুপ্রেরণা যোগাবে, বিদেশী হানাদাররা আমাদের মন্দিরগুলো বারংবার ভেঙ্গে তছনছ করেছে, কিন্তু আজ সেই জায়গায় গেরুয়া পতাকা স্বমহিমায় উড়ছে।”

শনিবার বার বার পুলিশ বাধা দিলেও কনভয় নিয়ে বিদ্যাসাগর সেতুতে পৌঁছে যান রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার৷ অন্যদিকে আগে থেকেই টোল প্লাজার কাছে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। সেখানেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি-সহ তাঁর সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিন সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, চক্রান্ত করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে খুন করতে চাইছেন৷ রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে গ্রেফতারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহল সরগরম।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন