Saturday, May 23, 2026
Home Politics লক্ষ্য ১৪৮: নবান্ন দখলে তৃণমূল-বিজেপি-র লড়াই, ম্যাজিক ফিগার না মিললে কী হবে...

লক্ষ্য ১৪৮: নবান্ন দখলে তৃণমূল-বিজেপি-র লড়াই, ম্যাজিক ফিগার না মিললে কী হবে বাংলায়?

West Bengal election 2026 exit poll

কলকাতা: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষাগুলি এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক অচলাবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট দলের পক্ষে স্পষ্ট হাওয়ার বদলে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে। অধিকাংশ সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, দুই প্রধান প্রতিপক্ষই ম্যাজিক ফিগার ১৪৮-এর আশেপাশে থমকে আছে। সামান্য ৫-১০টি আসনের এদিক-ওদিক রাজ্যকে স্থিতিশীল সরকারের বদলে ত্রিশঙ্কু বিধানসভার (Hung Assembly) দিকে ঠেলে দিতে পারে। (West Bengal election 2026 exit poll)

- Advertisement -

Read More: বিজেপিতে যোগ দিতেই জেল যাত্রার সম্মুখীন আপ সাংসদ

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ‘Matrize’ বিজেপিকে ১৪৬-১৬১ এবং তৃণমূলকে ১২৫-১৪০টি আসন দিয়েছে। বিজেপির আসন সংখ্যা ১৪৬-এ থমকে গেলে তা সরাসরি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতির জন্ম দেবে। অন্যদিকে ‘PMARQ’-এর সমীক্ষায় বিজেপিকে ১৫০-১৭৫ এবং তৃণমূলকে ১১৮-১৩৮টি আসন দেওয়া হয়েছে। তবে এখানেও নিম্নসীমা অর্থাৎ ১৫০ আসন ম্যাজিক ফিগারের অত্যন্ত কাছাকাছি হওয়ায় তা নড়বড়ে ম্যান্ডেটেরই ইঙ্গিত দেয়। ভোটারদের একটি বড় অংশ নীরব থাকায় ‘অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া’ কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করতেই সাহস পায়নি।

   

Read More: গণনার দিনেও বৃষ্টির ভ্রুকুটি! শনিতে ভিজবে তিলোত্তমা, ভারী দুর্যোগের সতর্কতা এই জেলাগুলোতে

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে ত্রিশঙ্কু বিধানসভার আশঙ্কা প্রবল। যদি কোনো দলই এককভাবে ১৪৮টি আসন না পায়, তবে বিজেপিকে সরকার গড়তে নির্দল বা ছোট দলের ওপর নির্ভর করতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূল তাকিয়ে থাকতে পারে বাম-কংগ্রেসের দিকে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়েছেন, তৃণমূলকে সমর্থনের প্রশ্নে চূড়ান্ত ফলাফল না আসা পর্যন্ত তাঁরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। কোনো জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে না পারলে সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সম্ভাবনাও থাকছে।

এবারের লড়াই মূলত দ্বিমুখী। ৯২ শতাংশের বেশি রেকর্ড ভোটদান শক্তিশালী জনমতের প্রমাণ দিলেও বুথফেরত সমীক্ষা অনেক সময় ভুল প্রমাণিত হয়। যদি শেষ পর্যন্ত কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায়, তবে নগণ্য আসন পেলেও বাম বা কংগ্রেস ‘কিংমেকার’ হিসেবে রাজ্যে নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে পারে। ৪ মে-র ফলাফলই নির্ধারণ করবে বাংলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।

Follow on Google