ভোটের লাইনে হঠাৎ কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জ, আতঙ্কে ভোটাররা

হুগলির তারকেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের একটি ভোটকেন্দ্র (Wb Election) ঘিরে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ ভোটারদের উপর অতর্কিত লাঠিচার্জ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Central Forces Assault Allegation

হুগলির তারকেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের একটি ভোটকেন্দ্র (Wb Election) ঘিরে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ ভোটারদের উপর অতর্কিত লাঠিচার্জ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ভোটপ্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

ঘটনাটি ঘটেছে তারকেশ্বরের (Wb Election) বালিগরী এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বালিগরি অধর মনি দত্ত বিদ্যমন্দির স্কুলে, যেখানে চারটি বুথ ২১৮, ২১৯, ২২০ এবং ২২১ স্থাপন করা হয়েছিল। সকাল থেকেই এই বুথগুলিতে ভোটারদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে অভিযোগ, বুথের ভিতরে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও ভোটারদের দীর্ঘ সময় বাইরে রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছিল।

   

এই পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী রামেন্দু সিংহ রায়। তাঁর দাবি, ভোটারদের অযথা কষ্ট দেওয়া হচ্ছিল এবং ভোটদানের প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে ধীরগতিতে পরিচালিত করা হচ্ছিল। তিনি বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।

রামেন্দু সিংহ রায়ের অভিযোগ, তিনি বিষয়টি জানাতে (Wb Election) গেলে কোনও আলোচনা বা সমাধানের পথে না গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা হঠাৎ করেই লাঠিচার্জ শুরু করেন। এতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু সাধারণ মানুষ আহত হন বলে দাবি। তাঁর কথায়, “কোনও রকম উস্কানি ছাড়াই সাধারণ ভোটারদের উপর এভাবে বলপ্রয়োগ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।”

আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, এই লাঠিচার্জের সময় মহিলাদের প্রতিও কোনও রকম সহানুভূতি দেখানো হয়নি। অভিযোগ, কয়েকজন মহিলাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এমনকী এক ক্যানসার আক্রান্ত মহিলাকেও মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তৃণমূল প্রার্থী। এই অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার পরপরই এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। অনেক ভোটারই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করেন এবং কিছুক্ষণের জন্য ভোটদান প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয় বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। যদিও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয় এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।

এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী পক্ষের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার নামে সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google