
বগটুই গণহত্যা ইস্যুতে সোমবার রণক্ষেত্র চেহারা নেয় বিধানসভা। অধ্যক্ষের সামনেই হাতাহাতিতে জড়ায় বিজেপি-তৃণমূলের বিধায়করা। বিরোধী দলনেতী শুভেন্দু অধিকারী সহ ৫ বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করেছেন অধ্যক্ষ।
এদিকে বিধানসভায় মারামারির পু়ঙ্খানুপুঙ্খ ঘটনা দার্জিলিং থেকে ফোনে বিস্তারিত শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে ফোন করে খোঁজ নিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা জানতে চান তাঁর দলের কোনও বিধায়ক আহত হয়েছে কি না।
পরে সাংবাদিকদের ফিরহাদ হাকিম জানান, ‘বিধানসভায় বিজেপি বিধায়করা যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে তা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি। এমন ঘটনা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ইতিহাসে নজিরবিহীন। সেই ঘটনায় আহত বিধায়কদের খোঁজখবর নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।’
এদিন শুভেন্দু অধিকারী সহ সাসপেন্ড করা হয়েছে বিজেপির মনোজ টিগ্গা, নরহরি মাহাতো, শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মণকে।
বিধানসভার বাইরে শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ তোলেন, ‘সাদা পোশাকে পুলিশ দিয়ে প্রথমে হামলা চালায় তৃণমূল। স্পিকারের সামনেই আমাদের ওপর মারধর চালায় তৃণমূলের বিধায়করা। বিরোধীদের কন্ঠরোধ করা হচ্ছে।’
বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গাকে শারিরীক হেনস্থা করা হয়েছে। তাঁর জামা ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, সেইসঙ্গে ভেঙে দেওয়া হয়েছে তাঁর চশমাও।
অন্যদিকে পুরুলিয়ার বিজেপি বিধায়ক নরহরি মাহাতোকে ফেলে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। চূঁচুড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মজুমদার আহত। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে মেরেছেন । তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।
এদিন স্পিকারের সামনেই দুই দলের বিধায়করা তুমুল হাতাহাতিতে জড়ান বলে অভিযোগ।










