দাম্পত্য কলহ মেটাতে গিয়ে জামাইয়ের হাতে প্রাণ গেল শ্বশুরের!

উত্তর ২৪ পরগনার আগরপাড়ার আজাদহিন্দ নগরে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রবিবার রাতে জামাই সৈকত বসুর মারধরে শ্বশুর অলোক মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ৫০ বছর বয়সী অলোক তার ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
tragic-death-father-in-law-assaulted-son-in-law-marital-dispute

উত্তর ২৪ পরগনার আগরপাড়ার আজাদহিন্দ নগরে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রবিবার রাতে জামাই সৈকত বসুর মারধরে শ্বশুর অলোক মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ৫০ বছর বয়সী অলোক তার মেয়ের দাম্পত্য কলহ মেটাতে গিয়ে জামাইয়ের আক্রমণের শিকার হন। হাসপাতালের পথেই মারা যান তিনি, চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সৈকত পলাতক, পুলিশ তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, অলোক মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে অয়ন্তিকা ও জামাই সৈকত বসুর মধ্যে গত কয়েক দিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। দুই পরিবারেরই বাড়ি একই পাড়ায় হওয়ায় অলোক মেয়ের শ্বশুরবাড়ি যান এই ঝগড়া সমাধান করতে। কিন্তু মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে, অয়ন্তিকা এবং সৈকতের মধ্যে মারামারি চলছিল।

   

অলোক মেয়ে ও জামাইয়ের অশান্তি মেটাতে একাধিকবার চেষ্টা করলেও, পরিস্থিতি খারাপের দিকে মোড় নেয়। অভিযোগ, সৈকত তার শ্বশুর অলোকের সঙ্গে শারীরিকভাবে আক্রমণ করেন। মারধরের ফলে অলোক মাটিতে পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জামাইয়ের আচরণ একেবারেই অস্বাভাবিক ছিল এবং অলোকের মৃত্যু তাদের জন্য বড় ধাক্কা। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সৈকত পলাতক। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে এবং অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

এদিকে, আগরপাড়ার আজাদহিন্দ নগর এলাকায় পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। ঘোলা থানার পুলিশ জানিয়েছে, তারা দ্রুত অভিযুক্তের খোঁজে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google