রোমাঞ্চ ভরা ফাইনালে সুযোগ নষ্ট ইস্টবেঙ্গলের, কিন্তু বিপাকে এফসি গোয়া

গোয়ার জওহরলাল নেহরু ফতোরদা স্টেডিয়ামে সুপার কাপের (Super Cup 2025) ফাইনাল ঘিরে উত্তেজনায় ফুঁসছে গোটা দেশ। ইস্টবেঙ্গল এফসি ও এফসি গোয়ার লড়াই দেখতে গ্যালারিতে উপচে পড়েছে সমর্থকদের ভিড়। ...

By Subhasish Ghosh

Published:

Updated:

Follow Us
super-cup-2025-final-east-bengal-vs-fc-goa-match-report

গোয়ার জওহরলাল নেহরু ফতোরদা স্টেডিয়ামে সুপার কাপের (Super Cup 2025) ফাইনাল ঘিরে উত্তেজনায় ফুঁসছে গোটা দেশ। ইস্টবেঙ্গল এফসি ও এফসি গোয়ার লড়াই দেখতে গ্যালারিতে উপচে পড়েছে সমর্থকদের ভিড়। গত মরশুমে জামশেদপুর এফসিকে হারিয়ে শিরোপা জয় করেছিল এফসি গোয়া। এবারও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মরিয়া তারা। যদিও ডাগআউটে কোচ অস্কার ব্রুজো না থাকায় কিছুটা হলেও চাপ ছিল লাল-হলুদ ফুটবলারদের কাঁধে। ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে ছিলেন বিনো জর্জ।

খেলার শুরুতেই উত্তেজনার আঁচ

ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই মাঝমাঠে গোয়ার পাঁচ জনের জমাট ডিফেন্সিভ স্ট্র্যাটেজি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সিভেরিওকে একমাত্র স্ট্রাইকার হিসেবে রেখে আক্রমণ সাজাতে চাইছিল তারা। তবে ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডার কেভিন সিবিলে বারবার নজর কেড়েছেন শক্ত ডিফেন্স গড়ে।

   

ওপারে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম ছিল একটাই বিপিন সিং। বাঁ প্রান্ত দিয়ে প্রায় প্রতি আক্রমণেই দারুণ সব বল বাড়িয়েছেন। ১২ মিনিটে মিগুয়েল দুর্দান্ত সুযোগ পেয়েও পোস্টের বাইরে পাঠান। আর ২০ মিনিটে বিপিনের ডেলিভারিতে মহেশ তাল মেলাতে ব্যর্থ হন।

কার্ড, চোট, বদলি — ছন্দপতন গোয়ার

৫ মিনিটে বোরিসের হলুদ কার্ডের পর ২৫ মিনিটে রনি চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। কোচ মার্কুয়েজ ঝুঁকি না নিয়ে বোরিসকেও সরিয়ে নেন। মাঠে নামেন নিম ও উদান্ত। ফলে ম্যাচের গতি কিছুটা নরম হয়ে আসে। ৩০ মিনিটের পর গোয়া বল পজিশনে ফিরে আসার চেষ্টা করলেও শেষ ত্রিশে ঢুকতে বারবার ব্যর্থ হয়। ইস্টবেঙ্গলের আনোয়ার আলির দৃঢ় ডিফেন্স এগোতে দেয়নি গোয়াকে।

৪৩ মিনিটে বিপিনের আরেকটি নিখুঁত ক্রস থেকে গোল করতে পারতেন মহেশ। কিন্তু তড়িঘড়ি ভলিতে বল মাটিতে বাউন্স করে দুর্বল হয়ে যায়— সহজেই ধরে ফেলেন গোয়ার গোলরক্ষক হৃতিক।

প্রথমার্ধের সারসংক্ষেপ

প্রথম ৪৫ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল আধিপত্য বজায় রাখলেও গোলের দেখা মিলেনি।

বিপিন ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের সেরা খেলোয়াড়— বারবার ডিফেন্স ভেঙে ক্রস তুলেছেন।

গোয়ার আক্রমণ ছিল ছন্নছাড়া, মাঝমাঠে বল ধরে রাখতে পারলেও বক্সে ঢোকার সময় তাল কাটছিল।

মহেশ দু’টি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি, যা প্রথমার্ধে লিড নেওয়ার বড় সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে।

মোটের ওপর, তীব্র লড়াই, কঠিন শারীরিক সংঘর্ষ আর দ্রুত টেম্পোর পরও গোলশূন্য প্রথমার্ধে অপেক্ষা বাড়ল, কে তুলবে সুপার কাপ?

ভিডিও নিউজ দেখুন

Subhasish Ghosh

[email protected]

Follow on Google