রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে রবিবারটি কার্যত হাইভোল্টেজ প্রচারের দিন হিসেবে চিহ্নিত হতে চলেছে। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যদিকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata-Abhishek) দু’জনেই একাধিক জেলায় জনসংযোগ ও প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই জোরদার প্রচার কার্যত রাজ্য রাজনীতিতে নতুন গতি এনে দিয়েছে।
রবিবারের কর্মসূচি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা ও শামসেরগঞ্জে জনসভা করবেন। (Mamata-Abhishek) সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলগুলি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস এবং নানা স্থানীয় সমস্যা নির্বাচনের ফলাফলে বড় ভূমিকা নেয়। তাই এই দুই এলাকায় সভা করে সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার কৌশল নিয়েছেন তিনি। (Mamata-Abhishek) ফরাক্কা ও শামসেরগঞ্জে সভা শেষে মুখ্যমন্ত্রী যাবেন বীরভূম জেলার মুরারইতে। বীরভূমও রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। এখানে দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং উন্নয়নমূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়ন, রাস্তা, পানীয় জল ও সামাজিক প্রকল্পগুলির বিষয় তিনি তুলে ধরতে পারেন।
অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata-Abhishek) রবিবার একাধিক জেলায় প্রচারে ব্যস্ত থাকবেন। তিনি প্রথমে বর্ধমান জেলার রায়না এলাকায় জনসভা করবেন। এই এলাকা কৃষিনির্ভর হওয়ায় কৃষকদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প ও সুবিধার কথা তাঁর বক্তব্যে উঠে আসতে পারে। এরপর তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা ও বজবজ বিধানসভা এলাকায় প্রচার চালাবেন। গোসাবা সুন্দরবন অঞ্চলের অন্তর্গত হওয়ায় এখানে পরিবেশ, নদীবাঁধ, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা এবং জীবিকা সংক্রান্ত বিষয়গুলি বিশেষ গুরুত্ব পায়। ফলে এই অঞ্চলে প্রচারের সময় স্থানীয় সমস্যাগুলিকেই বেশি করে গুরুত্ব দিতে পারেন অভিষেক। অন্যদিকে বজবজ একটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় সেখানে কর্মসংস্থান, শিল্পোন্নয়ন ও অবকাঠামো নিয়ে তাঁর বক্তব্য কেন্দ্রিত হতে পারে।




















