Ukraine Crisis: ইউক্রেনে রুশ ‘হামলা’ বদলে দেবে চ্যাম্পিয়নস লিগ ভেন্যু

44

আশঙ্কা করছিলেন উয়েফা কর্তারা হয়ত বদলাতে হতে পারে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলার ভেন্যু। মঙ্গলবার থেকে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়ে গেল রুশ সেনার ইউক্রেনে প্রবেশ ও রাশিয়ার উপর ব্রিটেনের অর্থনৈতিক অবরোধ জারি করার পরেই।

মঙ্গলবার ভারতীয় সময় রাত ৮ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো না হলেও একরকম নিশ্চিত উয়েফা চ্যাম্পিয়নস কাপের ফাইনাল ম্যাচ সরছে রাশিয়া থেকে।

লন্ডনের সংবাদপত্র The Gurdian জানাচ্ছে, ইউক্রেনের ভূমিতে রাশিয়ার ‘হামলা’র প্রভাব ফুটবলে পড়ল। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু বদলে যাচ্ছে বলেই প্রতিবেদনে ইঙ্গিত করা হলো।

বিবিসি জানাচ্ছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল আগামী ২৮ মে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের ক্রেস্তোভস্কি স্টেডিয়ামে হবার কথা। ২০১৮ বিশ্বকাপ উপলক্ষে বানানো হয় স্টেডিয়ামটি।

রয়টার্স জানাচ্ছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে বিশ্বকে চমকে দিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ইউক্রেনে ট্যাংক বাহিনী পাঠান। পূর্ব ইউক্রেনের দুটি রুশ অধ্যুষিত রাজ্য ডোনেৎস্ক ও লুহানস্ক এখন রাশিয়া সরকারের দখলে। যদিও এই অঞ্চলদুটি কে ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ বলে চিহ্নিত করেছেন পুতিন। তিনি বলেন, এখানকার নিয়ন্ত্রণ রাখবে রুশ সেনা।

মস্কো থেকে পুতিনের এই ভাষণের পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে শঙ্কা বাড়ল। আদৌ কি খেলা হবে রাশিয়ায়? উঠছে প্রশ্ন। কারণ, চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে বেশিরভাগই ব্রিটিশ ক্লাব উঠবে বলে ধারণা। রাশিয়ার কোনও ক্লাব নেই। ব্রিটেন সরকারের নিষেধাজ্ঞায় কোনও দলই রাশিয়ায় আসবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই ব্রিটেন সরকার রাশিয়ার উপর অর্থনৈতিক অবরোধ জারি করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স দ্রুত সেই দিকে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্টোদিকে রাশিয়া সরকারও অর্থনৈতিক অবরোধের পদক্ষেপ নিচ্ছে। রাশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী দেশ। তাদের অবরোধে বিশ্ব জুড়ে অর্থনীতির ধস বাড়বে।

রুশ শহর সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে সরিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু কোথায় হবে, উঠছে এমন প্রশ্ন। গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, পরিবর্তিত ভেন্যু হিসেবে ইংল্যান্ডের ‘ফুটবল-তীর্থ’ বলে পরিচিত শহর ওয়েম্বলি কে বেছে নিতে পারে আয়োজকরা।

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)