
আগেরবার দেশের প্রথম ডিভিশন লিগে যথেষ্ট দাপট ছিল বেঙ্গালুরু এফসি (Bengaluru FC)। যারফলে আইএসএলের সুপার সিক্সে উঠতে খুব একটা অসুবিধা হয়নি। তারপর জেরার্ড জারাগোজার তত্ত্বাবধানে দল চলে গিয়েছিল ফাইনালে। কিন্তু সেখানেই আটকে যেতে হয়েছিল হোসে মোলিনার মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের কাছে। সেই হতাশা কাটিয়ে এই সিজনে দলকে সাফল্য দিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন এই স্প্যানিশ কোচ। সেইমতো সর্বভারতীয় কাপ টুর্নামেন্ট তথা সুপার কাপকে পাখির চোখ করেছিল বেঙ্গালুরু এফসি। কিন্তু ভালো খেলেও ছিটকে যেতে হয়, পাঞ্জাব এফসির কাছে পরাজিত হয়ে। সেই নিয়ে যথেষ্ট হতাশ ছিল সমর্থকরা।
মনে করা হচ্ছিল যে এই পরাজয় ভুলে হয়তো এই কোচের হাত ধরেই আগত টুর্নামেন্টে ঘুরে দাঁড়াবে দল। কিন্তু তাঁর মাঝেই সকলকে চমকে দিয়েছিল জারাগোজার দল ছাড়ার বিষয়টি। তবে খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য নয়। বরং ভারতীয় ক্লাব ফুটবলের বর্তমান পরিস্থিতি ও আগামী দিনের অনিশ্চিত রোড ম্যাপের দিকে নজর রেখেই গত নভেম্বরে ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন এই স্প্যানিশ কোচ। তাতে সম্মান জানিয়েছিল ম্যানেজমেন্ট। এছাড়াও সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন বাকি সাপোর্টিং স্টাফেরা। সেইসময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল গ্ৰীসের একটি ফুটবল ক্লাবের তরফে প্রস্তাব পেয়েছেন জারাগোজা। মনে করা হচ্ছিল যে নিজের পুরনো ক্লাবে ফিরবেন তিনি।
তাই হয়েছে শেষ পর্যন্ত। কার্লেস কুয়াদ্রাতের এই প্রাক্তন সহকারী ফিরে গিয়েছেন নিজের পুরনো ফুটবল ক্লাব প্যানসেরাইকোসে (Panserraikos FC)। যারফলে আগামী ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এই ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে তাঁর। পরবর্তীতে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ছিল ম্যানেজমেন্টের। গত ২০২১-২০২২ সালে এই ফুটবল দলে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়েছিলেন জারাগোজা। এবার তাঁর উপরেই ভরসা রাখে গ্ৰীসের এই ফুটবল দল। কিন্তু পরিকল্পনা অনুযায়ী পারফরম্যান্স এখনও পাননি কোচ। ইতিমধ্যেই সেই দেশের টুর্নামেন্টে পাঁচটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে দল।
কি জয়ের মুখ দেখা সম্ভব হয়নি এখনও পর্যন্ত। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। যার মধ্যে রয়েছে কিসিফিয়ার মতো দল। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে যথেষ্ট অস্বস্তি দেখা দিয়েছে দলের অন্দরে।









