ওড়িশা এফসি বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের ‘এক্স ফ্যাক্টর’ ডিফেন্স লাইন

43
East Bengal

চার ম্যাচ হারের ধাক্কা কাটিয়ে ইস্টবেঙ্গল এফসি ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) ২০২২-২৩ মরসুমে দ্বিতীয় জয় পেয়েছে, প্রতিপক্ষ বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে। জয়ের আনন্দে আত্মহারা লাল হলুদ ভক্তরা।

কিন্তু এই আনন্দ সাময়িক, কেননা আগামী শুক্রবার অর্থাৎ ১৮ নভেম্বর ইস্টবেঙ্গল এফসিকে খেলতে হবে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। একের পর এক ম্যাচ হেরে যাওয়ার কারণে লাল হলুদ ভক্তরা দলের কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের ফুটবল বোধ নিয়ে কাটাছেড়া শুরু করে দিয়েছিল। সঙ্গে টিমের নড়বড়ে ডিফেন্স নিয়ে মাথার চুল ছেড়া ছাড়া আর কোনও রাস্তাই ছিলনা সমর্থকদের কাছে।চার ম্যাচে হারের বড় একটা কারণ ডিফেন্সিভ ল্যাপস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের নড়বড়ে ডিফেন্স লাইন নিয়ে বারে বারে অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে কনস্টাটাইনকে।

সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে গোল না খেয়ে ক্লিনশিট জয় নিঃসন্দেহে গোটা টিম ইস্টবেঙ্গলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে,কিন্তু এটা ভুলে গেলে চলবে না টাইটেলশিপে ডিফেন্সের দুর্বলতার জন্য পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে।তাই ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে লাল হলুদের ডিফেন্স লাইন ফের পরীক্ষার মুখে বসবে।

অন্যদিকে, ওড়িশা এফসি হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে নিজেদের শেষ ম্যাচ ১-০ গোলে হেরে গিয়েছে। খেলা শেষে সাংবাদিক বৈঠকে এসে ওড়িশা এফসি কোচ জোসেপ গোম্বাউ পরিষ্কার বলেই দিয়েছেন,”আমরা ভালোভাবে রক্ষণ করতে পারিনি এবং হার মানতে হয়েছে। আমাদের জন্য ফিরে আসা কঠিন ছিল।” এটা বোঝাই যাচ্ছে গোল করেও গোল লিড ধরে রাখাটা কতটা চ্যালেঞ্জের। তাই গোল শুধু করলেই চলবে না প্রতিপক্ষ দল যাতে স্কোর করে গোল শোধ করতে না পারে এর জন্যে দূর্গের প্রহরীদেরও সতর্ক থাকতে হবে অনেক বেশি।

গোল করে এগিয়ে গিয়ে ফের গোল খেলে গোটা দলের স্পিরিট অনেকটাই ফ্যাকাসে হয়ে পড়ে, পিচে আবার নতুন করে গেম সাজাতে হয়, এই গেম সাজাতে গিয়ে খেলোয়াড়দের আরও বেশি করে চাপ নিতে হয়। ম্যাচ শেষে ফলাফল বিপক্ষে গেলে কোচ আর ফুটবলারদের ফুটবল দর্শন নিয়ে কাটাছেড়া শুরু করতে বসে পড়ে ভক্তরা। তাই ওড়িশা এফসি বনাম ইস্টবেঙ্গল এফসির মধ্যে আগামী শুক্রবারের ম্যাচ শুধু যে কঠিন হতে চলেছে তাইই নয়,এই ম্যাচে জয় পরাজয়ে ‘এক্স ফ্যাক্টর'(নির্ণায়ক ভূমিকা) হতে চলেছে ডিফেন্স লাইনের পারফরম্যান্স।

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)