গত শনিবার বেঙ্গল সুপার লিগের (Bengal Super League ) পঞ্চম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল নর্থ চব্বিশ পরগনা এফসি। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল মেহেতাব হোসেনের সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসি। হিসাব অনুযায়ী এটি হোম ম্যাচ থাকলেও লড়াইটা একেবারেই সহজ ছিল না তাঁদের কাছে। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের অমীমাংসিত ফলাফলে শেষ হয়েছিল সেই ম্যাচ। সুন্দরবনের হয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন আকিব নাওয়াব। পরবর্তীতে নর্থ চব্বিশ পরগনা দলের হয়ে গোল পান জোমোনসাঙ্গা।
প্রথমার্ধে একে অপরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলে ও গোলের দেখা মেলেনি। আসলে দুই দলের ফুটবলারদের একের পর এক সহজ সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয়েছিল তাঁদের। প্রথমার্ধ গোলশূন্য ফলাফলে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ বাড়াতে শুরু করে দিয়েছিল সুন্দরবন।
তারপর ৪৭ মিনিটের মাথায় চলে আসে বহু কাঙ্ক্ষিত গোল। অনবদ্য গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন আকিব নাওয়াব। পাল্টা আক্রমণে উঠে আসতে দেখা গিয়েছিল নর্থ চব্বিশ পরগনার ফুটবলারদের। কিন্তু গোলের মুখ খোলা সহজ ছিল না। তারপর প্রায় চতুর্থ কোয়ার্টারের দিকে নিভে গিয়েছিল মাঠের আলো। স্বাভাবিকভাবেই খেলা বন্ধ ছিল বেশকিছুক্ষণ। তারপর একসঙ্গে তিনজন ফুটবলার বদল করে নর্থ চব্বিশ পরগনা। তারপর শেষ লগ্নে এসেছিল সেই সমতাসূচক গোল। দলকে সমতায় ফিরিয়ে এনেছিলেন জোমোন সাঙ্গা। পিছিয়ে থেকেও পরবর্তীতে এক পয়েন্ট নিশ্চিত করতে পেরে খুশি দলের ফুটবলাররা।
গত হাওড়া-হুগলি ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে এমন শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে পয়েন্ট ছিনিয়ে নিতে পেরে সন্তুষ্ট নর্থ চব্বিশ পরগনা দলের কোচ গৌতম ঘোষ। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ম্যাচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ আমাদের ছেলেরা অনেক চেষ্টা করেছে। জিততে পারলে ভালো হতো। সবকিছু চাইলেই সব সময় হয়ে ওঠে না। তাছাড়া প্রতিপক্ষ দল ও ভালো খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা ও যথেষ্ট প্রভাবশালী ফুটবল খেলেছি। আমরা সব সময়েই জেতার চেষ্টা করি। তবে যথেষ্ট ভালো ম্যাচ হয়েছে। তবে শূন্যের চেয়ে কিছু থাকা ভালো। এক পয়েন্ট এসেছে। সেটা আমাদের জন্য ভালো।’
পাশাপাশি দলের কামব্যাকের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ আমরা দেখতে পাচ্ছি সেকেন্ড হাফে আমাদের দল যথেষ্ট ভালো কামব্যাক করছে। কিছু সময় আমরা গোল করতে পারছি কিছু সময় তা পারছি না। এটা যথেষ্ট ভালো দিক।’
