
সম্প্রতি মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ক্লাবে যোগ দিয়েছেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার অ্যালবার্তো রডরিগস। এই নিয়ে চলতি মরশুমে তৃতীয় ফুটবলারকে সই করাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। ইতিপূর্বে, আপুইয়া রালতে এবং টম অলড্রেডকে সই করানো হয়েছিল। ইতিমধ্যে অনেকেই বাগানের এই নয়া বিদেশির ফুটবল কেরিয়ারে উঁকিঝুঁকি মারতে শুরু করেছেন। আসুন, এই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
স্পেনের লা পামাসে জন্মগ্রহণ করেন রডরিগস। স্পেনের লোয়ার ডিভিশন ফুটবল ক্লাব আরুকার হাত ধরে তিনি সিনিয়র কেরিয়ার শুরু করেন। এই ক্লাবের হয়ে তিনি মোট পাঁচটি মরশুম খেলেন। এরপর তিনি স্পেনের তৃতীয়-টিয়ার ক্লাব ভিলারুবিয়ায় এক মরশুমের জন্য সই করেছিলেন। একবছর পর তিনি পঞ্চম ডিভিশন ক্লাব তামারেসেইতে যোগ দেন। এই ক্লাবের হয়ে চার মরশুমে ১০০টিরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন।
এরপর ২০২১ সালে সেগুন্ডা ডিভিশন ক্লাব লুগোয় যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এই ক্লাবে তিনি ২ মরশুমে ৫০টির বেশি ম্যাচ খেলেছেন। অবশেষে গত মরশুমে তিনি এশিয়ায় পা রাখেন। ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল ক্লাব পারসিব বানদাংয়ের হয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রথম মরশুমে এই দলের হয়ে তিনি লিগ খেতাবও জয় করেন।
দলের সেন্টার-ব্যাক হিসেবে রডরিগসের মধ্যে যথেষ্ট বৈচিত্র্য রয়েছে। তিনি লেফট এবং রাইট সেন্টার ব্যাক হিসেবে খেলতে পারেন। পাশাপাশি দু’পায়েই বল নিয়ে যথেষ্ট স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি। এছাড়া তিনি নিখুঁত হেড দিতে পারেন, অত্যন্ত দ্রুত গতি রয়েছে এবং সবথেকে বড় কথা যথেষ্ট ভালো ম্যাচ রিড করতে পারেন। আশা করা যায়, রডরিগসের এই গুণাবলী বাগানের ডিফেন্সকে আরও মজবুত করতে পারবে।
পাশাপাশি রডরিগসের মধ্যে বল দখলের যথেষ্ট দক্ষতা রয়েছে। বল নিয়ে তিনি মাঝমাঠ পর্যন্ত এগিয়ে যেতে পারেন। ফলে বাগান যে রডরিগসকে নিয়ে আপাতভাবে কোনও ভুল করেছে বলে মনে হচ্ছে না। তাঁর অভিজ্ঞতার উপর মেরিনার্সরা চোখ বন্ধ করে ভরসা করতেই পারেন। এবার তিনি মাঠে নিজের প্রতিভার প্রতি কতটা সুবিচার করতে পারেন, সেটাই আপাতত দেখার।









