অনুমতি ছাড়া মেসি ম্যাচ! দোষ স্বীকার করেই শাস্তির মুখে এরা?

কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির নাম জড়িয়ে যে প্রদর্শনী ম্যাচ ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল (Kolkata Football)। সেই ম্যাচই এবার বিতর্কের কেন্দ্রে। অনুমতি ছাড়াই ম্যাচ…

kolkata-football-lionel-messi-match-referee-controversy

কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির নাম জড়িয়ে যে প্রদর্শনী ম্যাচ ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল (Kolkata Football)। সেই ম্যাচই এবার বিতর্কের কেন্দ্রে। অনুমতি ছাড়াই ম্যাচ পরিচালনার অভিযোগে ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তলবে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করলেন ম্যাচের তিন রেফারি। ফলে শাস্তির সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

Advertisements

সন্তোষ ট্রফির ম্যাচ গুলির এবার সময় বদল, জেনে নিন

   

গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় এসেছিলেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। সেই দিনই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজন করা হয়েছিল একট প্রদর্শনী ম্যাচ। মোহনবাগান মেসি অলস্টার বনাম ডায়মন্ড হারবার মেসি অলস্টার। কিন্তু একমাস পরেও ম্যাচ ঘিরে আলোচনার শেষ নেই। তবে এবার আলোচনার কেন্দ্রে খেলোয়াড়রা নন, বরং ম্যাচ পরিচালনায় থাকা রেফারিরাই।

এই ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন চার রেফারি। রোহন দাশগুপ্ত, দেবদত্ত মণ্ডল, নীলরতন সরকার এবং দেবব্রত সরকার। অভিযোগ, রাজ্য ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা আইএফএ এবং রেফারিদের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিআরএ (CRA) কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি না নিয়েই তাঁরা ওই ম্যাচ পরিচালনা করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের তলব করে আইএফএ।

মঙ্গলবার আইএফএর ডাকে হাজিরা দেন রোহন দাশগুপ্ত, দেবদত্ত মণ্ডল এবং দেবব্রত সরকার। তবে অনুপস্থিত ছিলেন নীলরতন সরকার। শুনানিতে উপস্থিত তিন রেফারি নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন বলে আইএফএ সূত্রে জানা গিয়েছে।

আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত বিষয়টি নিয়ে স্পষ্টভাবে জানান, “তিনজনেই দোষ স্বীকার করেছেন। তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। কথা মিলছে না। তবে তাঁরা যে অনুমতি ছাড়াই ম্যাচ পরিচালনা করেছেন, তা মেনে নিয়েছেন।”

এখানেই শেষ নয়। আইএফএ আরও জানিয়েছে, ওই ম্যাচের ম্যাচ কমিশনার অপরূপ চক্রবর্তীকে বুধবার তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি মঙ্গলবার অনুপস্থিত থাকা রেফারি নীলরতন সরকারকেও হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইএফএ’র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। রেফারিদের বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে সতর্কবার্তা, নিষেধাজ্ঞা না কি আরও কঠোর পদক্ষেপ? সেদিকেই এখন তাকিয়ে বাংলা ফুটবল মহল।

Advertisements