
গত বছর ডুরান্ড কাপের সময় হামিদ আহদাদকে (Hamid Ahadad) সই করিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। তারপর ম্যাচ গড়ানোর সাথে সাথেই কলকাতা ময়দানের এই প্রধানের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে শুরু করেছিলেন এই মরোক্কান তারকা। হেডে গোল করার পাশাপাশি যথেষ্ট দক্ষতার সাথে আপফ্রন্টে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছিলেন এই বিদেশি ফুটবলার। ডুরান্ডের পর ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ডে ও যথেষ্ট দাপুটে ফুটবল খেলেছিলেন হামিদ। এমনকি টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে পড়শী ক্লাব মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের বিপক্ষে গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
Read More: প্রতিবাদের ভাষায় IPL সম্প্রচার বন্ধ, কিন্তু লাভের অঙ্কে পিছিয়ে বাংলাদেশ?
যদিও চূড়ান্ত সাফল্য মেলেনি। টাইব্রেকারে বদলে গিয়েছিল সমস্ত কিছু। তারপরেও দেশের সর্বভারতীয় কাপ টুর্নামেন্ট তথা সুপার কাপে ভালো পারফরম্যান্স করে ট্রফি জয়ের পরিকল্পনা ছিল লাল-হলুদের। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। তারপর থেকেই অনুশীলন বন্ধ করে দিয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। তারপর আজ অর্থাৎ নতুন বছরের প্রথম সোমবার থেকে অনুশীলন শুরু করে ময়দানের এই প্রধান। যেখানে প্রথম দিনে উপস্থিত ছিলেন দলের তিন বিদেশি ফুটবলার। হিরোশি ইবুসুকি, মহম্মদ রশিদ এবং সাউল ক্রেসপো। এছাড়াও ছিলেন অধিকাংশ ভারতীয় ফুটবলাররা।
Read More: ফর্মে ফিরেও মাঠের বাইরে বিরাট, কবে প্রত্যাবর্তন ২২ গজে?
তবে সকলকে চমকে দেয় হামিদের দল ছাড়ার বিষয়টি। আজ সন্ধ্যায় নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে পারস্পরিক সম্মতিতে হামিদকে রিলিজ করে দেওয়ার কথা জানিয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল। পরবর্তীতে নিজের সোশ্যাল সাইটে ইস্টবেঙ্গল নিয়ে একটি আবেগঘন স্টোরি আপলোড করেন এই তারকা। যেখানে তিনি লেখেন, ‘ক্লাবের সাথে কাটানো সময়ের জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই, যা পেশাগত এবং ব্যক্তিগতভাবে মূল্যবান অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষায় পরিপূর্ণ। এই মর্যাদাপূর্ণ ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করা এবং এই জার্সি পরিধান করা আমার জন্য একটি বিরাট সম্মানের বিষয়। চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত কখনোই সহজ ছিল না, তবে ব্যক্তিগত পরিস্থিতি এবং এই সময়ের লিগকে ঘিরে অস্থিরতার কারণে এটি এসেছিল, পাশাপাশি আমার পরিবারের সাথে থাকার ইচ্ছাও ছিল।’
Read More: হামিদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ইস্টবেঙ্গল
আরও লেখেন, ‘আমার সিদ্ধান্তের প্রতি তাঁদের বোধগম্যতা, সমর্থন এবং সম্মানের জন্য আমি ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানাই।
আসন্ন প্রতিযোগিতাগুলিতে আমি ক্লাবের সাফল্য কামনা করি, এবং আমার সতীর্থদের শ্রেষ্ঠত্ব অব্যাহত থাকুক এই কামনা করি। ইস্টবেঙ্গল সবসময় আমার যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকবে।’










