বিশ্ব ফুটবলে (Football) এডিনসন কাভানির অবদান ভোলার নয়। জাতীয় দল তথা উরুগুয়ের জার্সিতে অভূতপূর্ব পারফরম্যান্স ছিল বছর আটত্রিশের এই ফরোয়ার্ডের। যদিও সেখান থেকে সরে এসেছিলেন আগেই। তবে পরবর্তীতে ক্লাব ফুটবলে যথেষ্ট সক্রিয় ছিলেন এই তারকা। নিজের ক্যারিয়ারে পালেরোমা সহ নাপোলি, পিএসজি সহ খেলেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো শক্তিশালী ফুটবল দলে। যদিও কিছু বছর পরেই চলে গিয়েছিলেন ভ্যালেন্সিয়ায়। সেখান থেকেই গত ২০২৩-২০২৪ সিজনে যোগদান করেছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবল ক্লাব বোকা জুনিয়রসে।
ভারত নয়, টি-টোয়েন্টিতে অবিশ্বাস্য নজির এই দেশের ক্রিকেটারের
সেখান থেকেই এবার ফুটবলকে সম্পূর্ণ বিদায় জানালেন তিনি। পূর্বে লুইজ সুয়ারেজ ও কাভানির কম্বিনেশন বিশ্ব ফুটবলে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছে। ক্লাব ফুটবলে পৃথক যাত্রা হলেও নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে এসেছেন দুজনেই। গতকাল নিজের সোশ্যাল সাইটে অবসরের কথা জানান কাভানি। যেখানে দুই দশক জুড়ে তাঁকে সমর্থন করে আসা সকল সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও জ্ঞাপন করেন এই তারকা।
পাশাপাশি তিনি লেখেন, ‘ তুমি আমাকে গড়ে তুলেছ, আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছ, পড়ে গেলে আবার উঠে দাঁড়াতে শিখিয়েছ এবং এই যাত্রার প্রতিটি পদক্ষেপকে মূল্য দিতে শিখিয়েছ। তুমি আমাকে এমন সব স্বপ্ন পূরণ করার সুযোগ দিয়েছ যা ছোটবেলায় অসম্ভব মনে হতো, এবং মাঠের ভেতরে ও বাইরে অবিশ্বাস্য সব মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছ। আমার পরিবার, আমার বন্ধু, আমার সতীর্থ, কোচ এবং সর্বোপরি, সাধারণ মানুষ ছাড়া কিছুই সম্ভব হতো না।’
দেশের সর্বোচ্চ লিগে অংশগ্রহণ নিশ্চিত জামশেদপুরের
আরও লেখেন, ‘প্রতিটি দেশের এবং প্রতিটি ক্লাবের সমর্থকদের ভালোবাসা এমন একটি জিনিস যা আমি চিরকাল আমার সাথে বহন করব। আমি বিদায় নিচ্ছি। এই তৃপ্তি নিয়ে যে আমি প্রতিটি প্রশিক্ষণ সেশনে এবং প্রতিটি ম্যাচে নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। ভুল করেছি, সাফল্যও পেয়েছি, কিন্তু সবসময় এই পেশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছি, যা আমাকে এত কিছু দিয়েছে।’ এবার কি তাহলে নতুন ভূমিকায় ধরা দেবেন এই উরুগুয়ান তারকা। সেদিকেই তাকিয়ে থাকবেন ফুটবলপ্রেমীরা।
