HomeSports NewsCricket“সৌরভ ছাড়া অন্য কারও ওই পদে...!" কোন পদ নিয়ে বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

“সৌরভ ছাড়া অন্য কারও ওই পদে…!” কোন পদ নিয়ে বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

- Advertisement -

ইডেন গার্ডেনে শনিবার বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার রিচা ঘোষের সংবর্ধনা মঞ্চে উঠে ফের শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ক্ষোভভরা কণ্ঠস্বর। প্রসঙ্গ উঠল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের। বিসিসিআই সভাপতি পদ ছাড়ার পর যাঁর আইসিসি চেয়ারম্যান হওয়ার জল্পনা একসময় তুঙ্গে উঠেছিল, সেই সৌরভ শেষ পর্যন্ত সুযোগ পাননি। আর সেই আক্ষেপ যেন আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “আমাদের বন্ধু আছে, শত্রুও আছে। সৌরভ দুঃখ পাবে। ও ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন ছিল। আমি বড্ড ঠোঁটকাটা। আই সৌরভের আইসিসি সভাপতি হওয়ার কথা ছিল। সৌরভ ছাড়া অন্য কারও ওই পদে থাকার কথা নয়।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যেই স্পষ্ট, নাম না করলেও নিশানা তাঁর একদম সোজা বর্তমানে আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ ও তাঁর বাবা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দিকেই।

   

২০২২ সালে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় যখন বিসিসিআই সভাপতি পদ ছাড়েন, তখন থেকেই শোনা যাচ্ছিল তাঁর আইসিসি চেয়ারম্যান হওয়ার সম্ভাবনার কথা। ক্রিকেট মহলের একাংশ মনে করেছিল, যদি বিসিসিআই আইসিসির নির্বাচনে প্রার্থী দেয়, তাহলে সৌরভই হবে ভারতের পছন্দের মুখ। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছিলেন, সৌরভকে যেন আইসিসিতে পাঠানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই প্রার্থী দেয়নি। ফলত, সৌরভের সেই স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে যায়।

এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা শুরু হয়েছিল। সৌরভের পিছনে ‘অদৃশ্য অঙ্গুলিহেলন’। মমতার অভিযোগ, “বাঙালির শত্রুরাই” নাকি সৌরভকে সেই মর্যাদার পদ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তবুও মুখ্যমন্ত্রী আশাবাদী, “আজ না হোক, একদিন সৌরভই বিশ্ব ক্রিকেটের হর্তাকর্তা হবেন।”

- Advertisement -
Subhasish Ghosh
Subhasish Ghoshhttps://kolkata24x7.in/author/sports-news-desk
শুভাশীষ ঘোষ এক প্রাণবন্ত ক্রীড়া সাংবাদিক, বর্তমানে Kolkata24X7.in ক্রীড়া বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। ক্রিকেট থেকে ফুটবল, হকি থেকে ব্যাডমিন্টন প্রতিটি খেলাতেই তাঁর দখল প্রশংসনীয়। তিনি নিয়মিত ফিল্ড রিপোর্টিং করেন এবং ISL, I-League, CFL, AFC Cup, Super Cup, Durand Cup কিংবা Kolkata Marathon মতো মর্যাদাসম্পন্ন ইভেন্টে Accreditation Card প্রাপ্ত সাংবাদিক। ২০২০ সালে সাংবাদিকতার জগতে আত্মপ্রকাশ, আর তখন থেকেই বাংলার একাধিক খ্যাতিমান সাংবাদিকের সাহচর্যে তালিম গ্রহণ। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ইতিহাস ও রাজনীতির প্রতি রয়েছে অগাধ টান, যার প্রমাণ তাঁর অফবিট যাত্রাপথ ও অনুসন্ধিৎসু মন। পেশাগত প্রয়োজনে কিংবা নিতান্ত নিজস্ব আগ্রহে ছুটে যান অজানার সন্ধানে, হোক পাহাড়ি আঁকাবাঁকা গলি কিংবা নিঃসঙ্গ ধ্বংসাবশেষে ভরা প্রাচীন নিদর্শন। ছবি তোলার নেশা ও লেখার প্রতি দায়বদ্ধতা মিলিয়ে শুভাশীষ হয়ে উঠেছেন সাংবাদিক।
এই সংক্রান্ত আরও খবর
- Advertisment -

Most Popular