যোগীর রাজ্যে বিষাক্ত লজেন্স খেয়ে মৃত একাধিক শিশু

ফের শিরোনামে যোগী রাজ্য। এবার বিষাক্ত লজেন্স খেয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল চার শিশুর। মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন। বুধবার সকালে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কুশীনগর জেলার কাশ্য ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

ফের শিরোনামে যোগী রাজ্য। এবার বিষাক্ত লজেন্স খেয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল চার শিশুর। মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন। বুধবার সকালে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কুশীনগর জেলার কাশ্য থানা এলাকার দিলীপনগর গ্রামে। মৃতদের মধ্যে তিনজন ভাই বোন।

পুলিশ জানিয়েছে, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ মৃত শিশুদের বাড়ির সামনে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে কেউ চারটে লজেন্স ফেলে রেখে গিয়েছিল। ওই শিশুদের ঠাকুরমাই বাড়ির সামনে লজেন্সের প্যাকেটটি পড়ে থাকতে দেখে কুড়িয়ে আনেন। এরপর তিনি লজেন্সগুলি এনে নিজের তিন নাতি-নাতনিকে দেন। সেসময় ওই তিনজনের সঙ্গে খেলা করছিল প্রতিবেশীদের একটি শিশু। ওই শিশুটিকেও একটি লজেন্স দেন ঠাকুরমা। কিন্তু লজেন্স মুখে দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আস্তে আস্তে নেতিয়ে পড়ে ওই শিশুরা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, কেউ জেনেশুনে বিষ মেশানো লজেন্স খাইয়ে ওই শিশুদের খুন করেছে।

   

ঘটনাটি সামনে আসতে ফের যোগী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার করুণ পরিস্থিতি বেআব্রু হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে এ ধরনের ঘটনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দিকে আঙুল তোলা হয়েছে। ঘটনার জেরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তড়িঘড়ি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মৃত তিন শিশুর ঠাকুরমা মুখিয়া দেবী জানিয়েছেন, বুধবার সকালে বাড়ির সামনে তিনি ওই লজেন্সের প্যাকেটটি পড়ে থাকতে দেখেন। ওই প্যাকেটটি বাড়িতে এনে তিনি তাঁর নাতি নাতনিদের হাতে একটি করে দেন। প্রতিবেশীদের বাচ্চাকেও একটি লজেন্স দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই লজেন্স খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শিশুগুলি একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে রয়েছে মঞ্জনা (৫), সুইটি (৩), সমর (২)। এই তিনজনই মুখিয়া দেবীর নাতি-নাতনি। প্রতিবেশীর শিশুটির নাম অরুণ।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google